জুলাই ৩০, ২০২২, ০১:৫৩ এএম
সিনেমায় প্লে-ব্যাক করার স্বপ্ন থাকে প্রায় সব সংগীতশিল্পীরই। কারো কারো সেই স্বপ্ন পূরণ হয় খুব তাড়াতাড়ি, আবার কারো কারো ক্ষেত্রে অনেক দেরি হয়ে যায়। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে সিনেমাতে প্লে-ব্যাক করা হয়েই ওঠে না।
এই ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদে গানরাজ ২০০৯’-এর শীর্ষ দশে থাকা অন্যতম সংগীতশিল্পী অনন্যা আচার্য্যের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে অরুণ চৌধুরীর ‘মায়াবতী’ সিনেমায় গান প্লে-ব্যাক করার মধ্য দিয়ে। একই সিনেমায় পাঁচটি গান গাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি।
ুসাম্প্রতিক সময়ে অনন্যা আরও দুটি সিনেমায় তিনটি গান গেয়েছেন। মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত ‘টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা’ সিনেমায় অনন্যা একটি লালনসংগীত এবং আমিনুল ইসলাম বাচ্চুর পরিচালনায়, তারই কথা ও সুরে ‘ঝইরা ঝইরা পড়ে’ (সহশিল্পী নির্ঝর চৌধুরী) এবং ‘পরাণ বন্ধু’ (সহশিল্পী শাহরিয়ার রাফাত)-এ তিনটি গান গেয়েছেন। দুটি সিনেমাই রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়।
এছাড়াও শিগগিরই প্রকাশ পেতে যাচ্ছে অনন্যার নতুন মৌলিক গান ‘মনতো মনেই ছিলো’। গানটি লিখেছেন শেখ নজরুল, সুর করেছে শোয়েব শিবলী। এছাড়াও বিটিভিতে প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে ‘তুমি চলে যাবার পর’ (একটি বৃষ্টির গান)।
গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন ড. বিশ্বজিৎ রায়। সিনেমাতে প্লে-ব্যাক ও আধুনিক গান গাওয়া প্রসঙ্গে অনন্যা আচার্য্য বলেন, ‘সিনেমাতে গাওয়ার অনুভূতিই আসলে অন্যরকম। আমি মনে করি একটা সিনেমায় গান করা মানেই অনেক দর্শকের কাছে গানটি দ্রুত পৌঁছে যাওয়া। অনেক সিনেমাই হিট হয়েছে গানের কারণে।
তাই সিনেমায় গান করার সময় খুব আনন্দ নিয়ে গাই যেন ভালো গান মানুষ শোনে, আগ্রহ বাড়ে বাংলা গানের প্রতি। আর আধুনিক গাইতে খুব ভালো লাগে। একটা অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। নিজের কণ্ঠের মৌলিকত্ব বেরিয়ে আসার অন্যতম সুযোগ। আমি প্লে-ব্যাকেও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি, মৌলিক গানেও নিজেকে খুঁজে পাই।’
অনন্যা বর্তমানে পড়াশোনা করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের ‘শাস্ত্রীয় সংগীত’-এ তৃতীয় বর্ষে। যেখানে বর্তমানে শাস্ত্রীয় সংগীতের দায়িত্বে আছেন আলী এফএম রেজোয়ান, মাহমুদুল হাসান, জেরিনা আহমেদ।
সংগীত বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান ঝুমুর আহমেদ। আগামী ১২ আগস্ট ঢাকার শিল্পকলায় আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ড. বিশ্বজিৎ রায়ের সুরে একটি চণ্ডীদাসের কীর্তন গাইবেন অনন্যা।
