জুলাই ৩১, ২০২২, ০২:০৯ এএম
একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের নন্দিত দুই সংগীতশিল্পী গানের যুবরাজ আসিফ আকবর ও নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির মধ্যে অভিমান ছিল। যে অভিমানের কারণে দূরত্বের সৃষ্টি হয়।
কিন্তু সেই দূরত্ব একটি ফোনকলে দূরে সরে গিয়ে আবাও এক হলেন আসিফ আকবর ও ন্যািস। গতকাল সকালে আসিফ আকবর তার ফেসবুক পোস্টে ন্যািসকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন।
যেখানে তিনি ন্যািসর কাছ থেকে চার বছর পর ফোন আসাটাকে মূল বিষয় হিসেবে তুলে ধরে লেখেন,‘ একটা ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম চারটা বছর। অবশেষে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত ফোন। হ্যালো বলতেই শুনলাম অনেক পছন্দের আদুরে কণ্ঠটি। ভাইয়া আমি ন্যািস বলছি, খুব ভালো লাগল ওর ফোনটা পেয়ে।
দুনিয়ার সব অভিযোগ-অভিমান আমার বিরুদ্ধে, শুনে আরও ভালো লাগছিল। ন্যািস তো আমার ছোট, আমি তো বড়, তাহলে আমার মিনিমাম ভুলের ম্যাক্সিমাম শাস্তি হওয়া উচিত। নাজমুন মুনিরা ন্যািসর কণ্ঠ আমাদের সম্পদ। আমাকে বলল ভাইয়া আমি রাগ কমিয়ে ফেলেছি, আপনিও রাগ কমিয়ে ফেলেন।
সাথে সাথেই রাজি হয়ে গেলাম। অনেকদিন পর স্নেহের ন্যািসর সাথে গল্পগানের আড্ডায় নিজেকে হালকা করে ফেলেছি। ভালো থাকো ন্যািস, আনন্দে বাঁচো। গান গেয়ে যাও, তোমার কণ্ঠ এ দেশের মানুষের একটা আনন্দময় ভালো লাগা, আমিও সেই দলের বাইরে নই। ভালোবাসা অবিরাম।’
আসিফ আকবর গতকাল সকালে কথা বলা প্রসঙ্গে জানান, তার এবং ন্যািসর বর্ণাঢ্য সংগীত জীবনের শুধু একটি অ্যালবামেই গান গেয়েছেন। অ্যালবামটির নাম ‘ঝগড়ার গান’। অ্যালবামে মোট ১০টি গান ছিল।
গানগুলো লিখেছিলেন বাকীউল আলম, কবির বকুল, রাজীব আহমেদ, প্রদীপ সাহা ও রবিউল ইসলাম জীবন। অ্যালবামের সবগুলো গানের সুর-সংগীত করেছিলেন মনোয়োর হোসেন টুটুল। এরপর তাদের দুজনকে আর কোনো নতুন আধুনিক গান বা সিনেমার গানে পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি বিস্ময়কর হলেও সত্যি। আসিফ আকবর এবং ন্যানসি প্লে-ব্যাকেও এক অনন্য জুটি হতে পারতো। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেছে। তারপরও শ্রোতা দর্শক স্বপ্ন দেখছেন হয়তো বা তাদেরকে আগামীতে নতুন কোন আধুনিক গানে , সিনেমার গানেও দেখা যেতে পারে। শ্রোতা দর্শকের স্বপ্ন বা প্রত্যাশা পূরণ হোক, আসিফ ভক্ত, ন্যানসি ভক্তদের মন নতুন গানে আনন্দে ভরে উঠার প্রত্যাশায়।
