বিনোদন প্রতিবেদক
অক্টোবর ২৪, ২০২২, ০১:০৬ এএম
বেশ বিরতির পর চলচ্চিত্রের সিনিয়র তারকাভিনেত্রী রাশেদা চৌধুরী অভিনীতি নতুন কোনো সিনেমা দর্শকের সামনে আসতে যাচ্ছে। মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘অমানুষ হলো মানুষ’ সিনেমাটিতে দেখা যাবে তাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে।
রাশেদা চৌধুরী বলেন, ‘বেশ কিছুদিন হলো এই সিনেমায় অভিনয় করেছি। শুনেছি শিগগিরই সেন্সরে যাবে। অমানুষ হলো মানুষ সিনেমাটির নাম শুনলেই বোঝা যায় গল্পটা কেমন হবে। মনতাজুর রহমান আকবর ভাইয়ের নির্দেশনায় আগেও সিনেমাতে অভিনয় করেছি। তার নির্দেশনায় কাজ করতে বেশ ভালো লাগে আমার। সিনেমাটিতে ডিপজলসহ আরও অনেকেই আছেন। সিনেমাটি ভালো হয়েছে। আশা করছি সিনেমাটি মুক্তি পেলে দর্শকের ভালো লাগবে।’
রাশেদা চৌধুরী চলচ্চিত্রে কাজ করছেন ১৯৮৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত। বলা যায়, তিন দশক ধরে দাপটের সাথেই চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। বাংলা চলচ্চিত্রে ‘মা’ হিসেবে অনিবার্য এক অভিনেত্রীর নাম রাশেদা চৌধুরী। তখন বিয়ে হয়ে গেছে বি-বাড়িয়ার মেয়ে রাশেদার সঙ্গে ময়মনসিংহের ভালুকার ছেলে আল হেলাল চৌধুরীর। কিন্তু বিয়ের পরই ১৯৮৪ সালে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’র মাধ্যমে চলচ্চিত্রের সাথে সম্পৃক্ত হন রাশেদা চৌধুরী।
‘নতুন মুখের সন্ধানে’র মাধ্যমে চলচ্চিত্রের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া রাশেদা চৌধুরী প্রথম অভিনয় করেন দারাশিকোর নির্দেশনায় ‘প্রেম কাহিনী’ চলচ্চিত্রে। এতে তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর চাষী নজরুল ইসলামের ‘বিরহ ব্যথা’ এবং হারুনুর রশীদের ‘ভাগ্যবতী’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তিনটি চলচ্চিত্র মুক্তির পর তাকে আর কাজে থেমে থাকতে হয়নি। একের পর এক ভালো গল্পের চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে থাকেন তিনি। এখন পর্যন্ত তার দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
পেয়েছেন দর্শকের ভালোবাসা। রাশেদা চৌধুরী বলেন, ‘আমি আমার অবস্থান নিয়ে সব সময়ই সন্তুষ্ট। আমার স্বামী অনেক বড় মনের মানুষ বিধায় বিয়ের পর চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। আমার সব চলচ্চিত্রের প্রযোজক, পরিচালক, সহকর্মীসহ সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। সবার সহযোগিতায় এবং আমার আন্তরিক চেষ্টায় আমি আজকের রাশেদা চৌধুরী।
আজ দর্শক আমাকে ভালোবাসছেন, শ্রদ্ধা করছেন, এরচেয়ে জীবনে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে।’ টিভিতে প্রথম তিনি অভিনয় করেন সালাহউদ্দিন লাভলুর নির্দেশনায় ‘ভবের হাট’ ধারাবাহিক নাটকে। তবে একই পরিচালকের ‘হাড়কিপ্টে’ নাটকে অভিনয় করেও একজন অভিনেত্রী হিসেবে ব্যাপক প্রশংসিত হন।