ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
প্রথম শ্রেণির চাকরি

নারীর সংখ্যা কমছে

মো. নাঈমুল হক

এপ্রিল ২৯, ২০২৩, ১২:০৯ এএম

নারীর সংখ্যা কমছে
  • সাধারণ বিসিএসে নারীর সংখ্যা পুরুষের চার ভাগের এক ভাগ
  • বিশেষ বিসিএসে পুরুষ কম; আবেদনেও বেশি ক্যাডার হয়েছে

নারীদের এগিয়ে আনার জন্য পুরুষের তুলনায় বেশি সুযোগ দেয়া প্রয়োজন
—অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সাবেক ভিসি, ঢাবি 
 

নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিতে বর্তমান সরকার অনেকাংশে সফলতা দেখিয়েছে। নন-ক্যাডার ও অন্য শ্রেণির চাকরিতেও নারীর অংশগ্রহণ পুরুষের কাছাকাছি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেশি রয়েছে। প্রথম শ্রেণির চাকরির জন্য শিক্ষার্থীদের বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। কিন্তু প্রথম শ্রেণির চাকরিতে নারীর অংশগ্রহণ পুরুষের তুলনায় চার ভাগের এক ভাগ। ৩৭, ৩৮ ও ৪০তম বিসিএসের তথ্য পর্যালোচনায় এ চিত্র উঠে এসেছে। অন্যদিকে ৩৯ ও ৪২তম বিশেষ বিসিএসের আবেদনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকলেও পুরুষ ক্যাডার বেশি হয়েছে। 

শিক্ষাবিদরা বলছেন, নারীদের এগিয়ে আনার জন্য পুরুষের তুলনায় নারীদের বেশি সুযোগ দেয়া প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত চাকরির আগ পর্যন্ত মেয়েদের হোস্টেলে সিট রাখা। 
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পুরুষের তুলনায় নারীরা বিভিন্ন দিক দিয়ে পিছিয়ে রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে অনেক এগিয়েছে দেশ। মাতৃত্ব, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি, নারীর প্রতি সহিংসতা দমন, বাল্যবিবাহ নিরোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে সরকার। 

সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ৪২ ও ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে আবেদনে নারী প্রার্থী ছিলেন যথাক্রমে ৫৬ ও ৫৫ শতাংশ। কিন্তু ৪২ বিসিএসে নারী ক্যাডার হয়েছেন ৪৯ দশমিক শতাংশ। আর ৩৯ বিসিএসে হয়েছে ৪৭ শতাংশ।  

৪০তম বিসিএসে পুরুষ ক্যাডার হয়েছেন ১৪৫২ জন, যা মোট ক্যাডারের ৭৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এ বিসিএসে নারী ক্যাডার হয়েছেন ৫১১ জন, যা মোট ক্যাডারের ২৬ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ। 

৩৮তম বিসিএসে নারী ক্যাডার হয়েছেন ৫৯৩, যা মোট ক্যাডারের ২৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। এ বিসিএসে পুরুষ ক্যাডার হয়েছেন ১৬১১ জন, যা মোট ক্যাডারের ৭৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।
এছাড়াও ৩৭তম বিসিএসে পুরুষ ক্যাডার ৯৯০ জন, যা মোট ক্যাডারের ৭৫ দশমিক ৪০ শতাংশ আর নারী ক্যাডার ৩২৩, যা মোট অংশগ্রহণ বেশি রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৩-২২ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার চাকরিতে পুরুষের তুলনায় নারীর অংশগ্রহণ বেশি রয়েছে। 

এছাড়াও বিসিএসের আবেদনেও নারীরা পিছিয়ে রয়েছেন। পিএসসির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী, ৩৭তম বিসিএসে পুরুষ আবেদনকারী ছিলেন ৬৫.১৮ শতাংশ, ৩৮তম বিসিএসে ৬৩.৪৭, ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে ৪৩.৬৫, ৪০তম বিসিএসে ৬১.৬২ এবং ৪২তম বিশেষ বিসিএসে ৪৪.০৮ শতাংশ।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, আমাদের সমাজে নারীদের উচ্চস্তরের পড়াশোনার ধারণায় এখনো ঘাটতি রয়েছে। অনেক পরিবার নারীদের ইন্টার বা কোনোরকম অনার্স-মাস্টার্স পর্যন্ত পড়ালেখা করিয়ে তাদের বিয়ে দেন। কেউ কেউ চান না মেয়ে চাকরি করুক। চাকরির জন্য ছেলেরা যে পরিমাণ সময় পান, মেয়েদের ক্ষেত্রে এই সুযোগ কম। সমাজ ও জাতির উন্নয়নে পরিবারগুলোর ছেলেদের ন্যায় মেয়েদের চাকরির ক্ষেত্রেও সমান সুযোগ করে দেয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পড়াশোনা শেষে চাকরির আগ পর্যন্ত হোস্টেলগুলোতে মেয়েদের থাকার সুযোগ করে দিতে পারে।  

 

Link copied!