ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
সারা দেশে গ্যাস নিয়ে ভোগান্তি শিগগিরই কাটছে না

সংকটে আবাসিক ও শিল্প খাত

মহিউদ্দিন রাব্বানি

জানুয়ারি ১৬, ২০২৪, ১১:৪৪ পিএম

সংকটে আবাসিক ও শিল্প খাত
  • ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবহন খাত
  • দৈনিক চাহিদার বিপরীতে ঘাটতি প্রায় অর্ধেক

মার্চে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তবে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাসের জন্য দুবছর অপেক্ষা করতে হবে
—নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
সবগুলো এলএনজি টার্মিনাল ঠিক থাকলে গ্যাস সংকট থাকবে না 
—জনেন্দ্র নাথ সরকার, চেয়ারম্যান, পেট্রোবাংলা

রাজধানীসহ সারা দেশে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। যদিও শীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। তাই এ খাতে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহ দুই-ই কমেছে। কিন্তু তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) আমদানি কমায় অন্যান্য খাতে গ্যাস সরবরাহে ভাটা কাটেনি। দেশেও গ্যাসের উৎপাদন কমছে। এতে করে শিল্প ও আবাসিক গ্রাহকরা গ্যাস সংকটে ভুগছেন। তবে সহসাই এই সংকট কাটছে না বলে জানিয়েছে খোদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খানিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে চলমান গ্যাস সংকটে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। মার্চ পর্যন্ত এই সংকট প্রলম্বিত হবে বলেও জানান তিনি। 

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করা গ্যাস সরবরাহে দেশে দুটি রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) আছে। কিন্তু গত নভেম্বর মাসে একটি ইউনিট সংস্কারের জন্য পাঠানো হয়। ফলে গ্যাসের সংকট বাড়ে। সংস্কার শেষ হওয়ায় দু-একদিনের মধ্যেই এই ইউনিটটি গ্যাস সরবরাহ শুরু করবে। এদিকে গ্যাস সংকটের সমাধানে সরবরাহ দ্রুত বাড়ানোর কোনো উপায় পেট্রোবাংলার হাতে নেই। দেশে গ্যাসের াদন চাহিদার তুলনায় অনেক কম। এলএনজি আমদানিও নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে ডলার সংকটের কারণে। আবাসিকের পাশাপাশি এই সংকটে সবচেয়ে বেশি ভুগছে শিল্প খাত। সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় পরিবহন খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

নীরবে অর্থনীতির গতি কমিয়ে দিচ্ছে গ্যাস সংকট। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে গ্যাসের চাহিদা তিন হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বিপরীতে সরবরাহ রয়েছে দুই হাজার ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। রান্নার চুলা জ্বালাতে না পেরে আবাসিক গ্রাহকরা পড়েছেন বেশি ভোগান্তিতে। পাইপলাইনে গ্যাস না থাকায় আবাসিক গ্রাহকদের বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার, ইলেকট্রিক চুলা ও লাকড়ির চুলা ব্যবহার করতে হচ্ছে।
মুগদার বাসিন্দা তারিক আবেদীন আমার সংবাদকে বলেন, গ্যাস না থাকায় ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার করছি। এতে প্রতি মাসে বাড়তি এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল দিতে হচ্ছে। আবার তিতাস গ্যাসকেও বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। 

রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, আদাবর, সোবহানবাগ, উত্তরা, দক্ষিণখান, বাড্ডা ও রামপুরা এলাকায় সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গ্যাসসংকট সবচেয়ে বেশি থাকছে। এসব এলাকার গ্রাহকদের মধ্যে অনেকে বাধ্য হয়ে দিনের একটা সময় এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করে রান্না করছেন। আবার অনেকে বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন। দেশে রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার সংখ্যা আট শতাধিক। ডাইং প্রতিষ্ঠান তিন শতাধিক। সবখানেই গ্যাসের সংকট আছে। পঞ্চবটী বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত রপ্তানিমুখী ফেয়ার অ্যাপারেলস লিমিটেডের প্রতিদিন কাপড় উৎপাদনের ক্ষমতা ৩০ টন। এখন উৎপাদিত হচ্ছে ১০-১২ টন। 

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, টার্মিনাল মেরামতের কারণে গ্যাস সংকট বেড়েছে এটা ঠিক না। শীতের কারণে এই সময়ে এলএনজি আমদানির পরিমাণ কম রাখা হয়েছে। যে পরিমাণ এলএনজি রাখা হয়েছে, সেটি একটি টার্মিনাল দিয়েই যথেষ্ট। যদি কোনো কারণে এই টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায় তখন বিপদে পড়তে হবে। তবে এলএনজি টার্মিনাল ঠিক হলেই যে গ্যাস সংকট থাকবে না, সেটিও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহে কাজ চলছে। তবে আগামী মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এই ইউনিটটির সংস্কারকাজ চলবে। এরপর আগামী রমজান ও বোরো সেচ মৌসুমকে সামনে রেখে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। 

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই আশাবাদ জানান। তিনি গ্যাস সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে মার্চ পর্যন্ত সময় চাইলেন। তিনি বলেন, আসন্ন রমজান ও বোরো মৌসুমে আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিকল্পনা করছি। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন
 

Link copied!