ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
ইসলামিক ব্যাংকগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন

কমেছে প্রবাসী ও রপ্তানি আয়

জাহাঙ্গীর আলম আনসারী

জাহাঙ্গীর আলম আনসারী

মে ২৯, ২০২৪, ১১:৪০ পিএম

কমেছে প্রবাসী ও রপ্তানি আয়
  • প্রবাসী আয় কমেছে ১৭৬৭ কোটি টাকা
  • রপ্তানি আয় কমেছে ৬৩৯ কোটি
  • আমানত বেড়েছে ৪৯৪৫ কোটি টাকা

২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত শরিয়াহভিত্তিক পরিচালিত ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় আসা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। কিন্তু জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসী আয় কম এসেছে প্রায় এক হাজার ৮০০ কোটি টাকা। একই সঙ্গে ফেব্রুয়ারিতে কমেছে রপ্তানি আয় আসাও। ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি আয় কম এসেছে ৬৩৯ কোটি টাকা। তবে আশার কথা হচ্ছে, জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত কিছুটা বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ১১ হাজার ৬২১ কোটি টাকা। আর পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে ইসলামি ব্যাংকগুলো মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৯ হাজার ৮৫৪ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ফেব্রুয়ারিতে ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় কম এসেছে এক হাজার ৭৬৭ কোটি টাকা।

তথ্য মতে, আগের মাস অর্থাৎ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছিল ১০ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা। আর এর আগের মাস নভেম্বরে প্রবাসী আয় এসেছিল আট হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। সেই হিসাবে নভেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে বেশি এসেছিল দুই হাজার ৫০ কোটি টাকা এবং ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে বেশি এসেছিল এক হাজার ১৪৬ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে রপ্তানি আয় এসেছিল সাত হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা। আর পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রপ্তানি আয় এসেছে ছয় হাজার ৯০৮ কোটি টাকা। সেই হিসাবে জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি আয় কম এসেছে ৬৩৯ কোটি টাকা।

প্রতিবেদন বলছে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রপ্তানি আয় এসেছিল ছয় হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা। আর পরের মাস ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় এসেছিল ছয় হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। তথ্য মতে, ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে রপ্তানি আয় বেশি এসেছিল এক হাজার ৮২ কোটি টাকা। আর জানুয়ারির চেয়ে ফেব্রুয়ারিতে কম এসেছে ৬৩৯ কোটি টাকা। তবে, ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি ও প্রবাসী আয় কম আসলেও ব্যাংকগুলোর আমানত বেড়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ছিল চার লাখ ১৩ হাজার ৯৬৯ কোটি টাকা। আর পরের মাস ফেব্রুয়রিতে ব্যাংকগুলোর আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে চার লাখ ১৮ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ফেব্রুয়ারিতে আমানত বেড়েছে চার হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা। তথ্য বলছে, এর আগে অর্থাৎ ২০২৩ সালের নভেম্বরের ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ছিল চার লাখ ১৮ হাজার এক কোটি টাকা এবং পরের মাস ডিসেম্বরে ব্যাংকগুলোর আমানত ছিল চার লাখ ২২ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা।

Link copied!