ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

জামিন বাণিজ্য ও নৈতিকতার পতন

বিশেষ প্রতিবেদন

বিশেষ প্রতিবেদন

মার্চ ১১, ২০২৬, ১২:০৭ এএম

জামিন বাণিজ্য ও নৈতিকতার পতন

বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসের অন্যতম সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)। যেখানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো গুরুতর অভিযোগের বিচার হয়, সেখানে রাষ্ট্রপক্ষের একজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে আসামিকে জামিন পাইয়ে দেয়ার বিনিময়ে কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আর কেউ নন, ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার। ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ কেবল বিচার ব্যবস্থার ওপর আঘাত নয়, বরং ক্ষমতার অপব্যবহারের এক নগ্ন দলিল হিসেবে সামনে এসেছে।

ঘটনার সূত্রপাত : একটি ফোনালাপ ও এক কোটির অফার

২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলকালে পরিবারের সাথে যোগাযোগ শুরু করেন প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে এই যোগাযোগের সূত্রপাত।

হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের একাধিক রেকর্ডিং পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাইমুম রেজা তালুকদার ফজলে করিমের পরিবারকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, অর্থের বিনিময়ে তিনি কেবল জামিনই নয়, বরং তদন্ত প্রতিবেদনের গোপন অনুলিপিও সরবরাহ করতে পারবেন। একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে তাকে স্পষ্টভাবে বলতে শোনা যায়, ‘আলটিমেটলি যদি ওনাকে বের করা যায়, তবে ওয়ান ক্রোরের (১ কোটি টাকা) একটি বিষয় থাকবে।’

কিস্তিতে ঘুষ ও অগ্রিম ১০ লাখের আবদারঘুষের এই দর কষাকষিতে সাইমুম রেজা তালুকদার বেশ কৌশলী ছিলেন। তিনি ১ কোটি টাকাকে এককালীন না চেয়ে কিস্তিতে নেয়ার প্রস্তাব দেন। তবে তার শর্ত ছিল, কাজ শুরুর আগে অন্তত ১০ লাখ টাকা নগদে দিতে হবে। তিনি পরিবারটিকে বলেন, ‘যদি ১০ লাখের মতো অগ্রিম দেয়া যায়, তাহলে খুব ভালো হয় নগদে।’ এমনকি আদালতের বারান্দায় বা হাইকোর্ট এলাকায় লোকচক্ষুর অন্তরালে টাকা লেনদেনের বিষয়েও তিনি দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন যাতে কারো মনে কোনো সন্দেহ তৈরি না হয়।

তদন্ত প্রভাবিত করার অপচেষ্টা

সাইমুম রেজা কেবল নিজের পকেট ভারী করার চেষ্টাই করেননি, বরং পুরো প্রসিকিউশন টিমের অভ্যন্তরীণ তথ্য পাচার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি ফজলে করিমের পরিবারকে জানিয়েছিলেন যে, তদন্তকারীরা পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছেন। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, পুলিশ ও তদন্ত সংস্থা তাকে ‘ফাঁসাতে’ চাইছে। এমনকি তিনি আইসিটির একজন তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন এবং তাকে ম্যানেজ করার জন্য পরিবারকে টাকা দেয়ার পরামর্শ দেন।

ক্ষমতার পালাবদল ও রংবদল

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে যায়। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদেও পরিবর্তন আসে। তাজুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন বিএনপিপন্থী হিসেবে পরিচিত অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। এই পরিবর্তনের সুযোগ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন সাইমুম রেজা। তিনি পরিবারটিকে কল করে বলেন, ‘আমি আবার এই মামলাতে ইন করব। বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর বিএনপিপন্থী, ইনশাআল্লাহ আমার প্রভাব আরও বাড়বে।’ তিনি দাবি করেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে তিনি মামলাটি এমনভাবে সাজাবেন যেন জামিন পাওয়া সহজ হয়। তার এই আত্মবিশ্বাস প্রমাণ করে যে, তিনি বিচারিক প্রক্রিয়াকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে কতটা বেপরোয়া ছিলেন।

ফাঁদ পেতে ছিলেন ভুক্তভোগী পরিবার

আশ্চর্যের বিষয় হলো, ফজলে করিম চৌধুরীর পরিবার শুরু থেকেই সাইমুম রেজার এই প্রস্তাবগুলোকে ‘ফাঁদ’ হিসেবে ব্যবহার করেছে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা কখনোই টাকা দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করেননি। বরং প্রসিকিউটরের দুর্নীতির প্রমাণ হাতেনাতে সংগ্রহ করার জন্য তারা যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। প্রায় ২৬ বার ফোনালাপ এবং ১৪ বার ঘুষ দাবির যাবতীয় তথ্য তারা রেকর্ড করে রাখেন।

তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটরের ভূমিকা

তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি সাইমুম রেজাকে নির্দিষ্ট ওই মামলা থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। তবে তাকে পুরোপুরি প্রসিকিউশন থেকে বরখাস্ত করা হয়নি। তাজুল ইসলামের দাবি, পর্যাপ্ত দালিলিক প্রমাণ (যেমন অডিওর কপি) তার হাতে না থাকায় তিনি চূড়ান্ত ব্যবস্থা নিতে পারেননি। তিনি মনে করেন, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ছাড়া তার পক্ষে কাউকে অপসারণ করা সম্ভব ছিল না।

আইনমন্ত্রীর পদক্ষেপ ও অভিযুক্তের অস্বীকার

ঘটনাটি চরম মোড় নেয় যখন ফজলে করিমের পরিবার অডিও রেকর্ডগুলো সরাসরি বর্তমান আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের হাতে তুলে দেন। এরপরই মন্ত্রী অভিযুক্ত সাইমুম রেজাকে ফোন করে গ্রেপ্তারের হুমকি দেন বলে জানা যায়। এক রেকর্ডিংয়ে সাইমুম রেজাকে আতঙ্কিত কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘মন্ত্রী আমাকে ফোন করে বলতেছে আমাকে পুলিশে দিবে। আপনি কি আমাকে একটু হেল্প করতে পারবেন?’

তবে প্রকাশ্যে সাইমুম রেজা এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তিনি শিক্ষকতায় ফিরে যাওয়ার জন্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। কোনো ধরনের অর্থ লেনদেনের প্রস্তাব তিনি দেননি এবং তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

বিচার ব্যবস্থার জন্য অশনিসংকেত

একজন প্রসিকিউটর যখন আসামিপক্ষের সাথে রফাদফা করতে বসেন, তখন বিচার বিভাগের পবিত্রতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। সাইমুম রেজা তালুকদার পেশায় একজন শিক্ষক হয়েও যেভাবে ‘টাকা দিলে মুক্তি’র নিশ্চয়তা দিচ্ছিলেন, তা সাধারণ মানুষের বিচারালয়ের প্রতি আস্থাকে চরমভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মতো সংবেদনশীল জায়গায় নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও বেশি যাচাই-বাছাই প্রয়োজন। মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা কম থাকা সত্ত্বেও কেবল ‘নাগরিক সমাজের পরিচিত মুখ’ হওয়া কোনো প্রসিকিউটরের যোগ্যতা হতে পারে না।

ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ

ইতোমধ্যেই সাইমুম রেজা তালুকদার পদত্যাগ করেছেন। তবে কেবল পদত্যাগই কি যথেষ্ট? একজন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর এই ধরনের জঘন্য নৈতিক স্খলনের বিচার কি হবে না? আইন মন্ত্রণালয় এবং ট্রাইব্যুনাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সাথে কাজ করছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনা একটি শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছে যে, প্রযুক্তির এই যুগে ক্ষমতার আড়ালে বসে দুর্নীতি করা এখন আর সহজ নয়। পকেট ভর্তি টাকা আর প্রভাবের মোহে অন্ধ হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের শেষ পরিণতি যে কাঠগড়া- সাইমুম রেজার এই পতন তারই জলন্ত উদাহরণ।

সাইমুমকাণ্ডে নড়েচড়ে বসেছে প্রসিকিউশন, অতীতের সব নথিতে চিরুনি তল্লাশি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- যেখানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে এক বিশাল নৈতিক ধসের ঘটনা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সদ্য পদত্যাগী প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠার পর কেবল ব্যক্তিগত শাস্তি নয়, বরং পুরো ট্রাইব্যুনালের অতীতের কার্যক্রম নিয়ে এক নজিরবিহীন শুদ্ধি অভিযানের ঘোষণা এসেছে।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম এক জরুরি ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘ট্রাইব্যুনালের মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে কোনো আপস নেই। অতীতের সকল কার্যক্রম এখন থেকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাইবাছাই করা হবে।’

সাইমুমের হাতে থাকা নথিপত্র এখন ‘হেফাজতে’

অভিযোগ ওঠার পরপরই দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়। সাইমুম রেজা তালুকদার যেসব সংবেদনশীল মামলা ও নথিপত্র নিয়ে কাজ করতেন, সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে নিজ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। মূলত এই নথিপত্রগুলো ব্যবহার করে তিনি অন্য কোনো আসামির সাথে লিয়াজোঁ করেছিলেন কি না বা বিচার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

অতীতের সব কার্যক্রমের পোস্ট-মর্টেম

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম একটি যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, শুধু সাইমুমের মামলাই নয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে যতগুলো মামলার শুনানি বা আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তার সবকটিই এখন বিশেষ নিরীক্ষার আওতায় আনা হবে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এমন একটি স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়তে চাই যেখানে প্রতিটি অভিযোগের বিচার হবে নিরপেক্ষভাবে। এই ঘটনাটি বিচার ব্যবস্থাকে কেবল প্রশ্নবিদ্ধই করেনি, বরং আমাদের হূদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। এই কলঙ্ক মুছতে আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করছি এবং অতীতের প্রতিটি কার্যক্রম যাচাই করে দেখব সেখানে কোনো অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি ছিল কি না।’

ঘটনার নেপথ্যে : ফজলে করিম ও ফোনালাপের ফাঁদ

পুরো ঘটনার সূত্রপাত জুলাই হত্যাকাণ্ডের একটি মামলাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ উঠেছে, চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে মামলার তালিকা থেকে বাদ দেয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে তার পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা দাবি করেন সাইমুম রেজা। সমপ্রতি সেই লেনদেনের কথোপকথন সম্বলিত ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পর তোলপাড় শুরু হয়।

এই ফোনালাপের সত্যতা পাওয়ার পর ট্রাইব্যুনালের সব প্রসিকিউটরদের নিয়ে আজ জরুরি বৈঠকে বসেন চিফ প্রসিকিউটর। বৈঠকে সাইমুমের এই কর্মকাণ্ডকে ‘প্রতিষ্ঠানের পিঠে ছুরি মারা’ হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়।

বিচার ব্যবস্থায় আস্থার সংকট ও উত্তরণের পথ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে সাধারণ মানুষের যে আবেগ ও প্রত্যাশা রয়েছে, এই ঘটনা সেখানে একটি কালো মেঘের ছায়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সাইমুমের মতো ব্যক্তির এই অপকর্ম পুরো বিচারিক প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতাকে আন্তর্জাতিক মহলে খাটো করতে পারে।

এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। বিচার ব্যবস্থাকে পণ্য করার অধিকার কারো নেই। আমরা তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদ্ঘাটন করে কঠোর ব্যবস্থা নেব, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন দুঃসাহস না দেখায়।’

পরবর্তী পদক্ষেপ কী

চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ১. একটি উচ্চপর্যায়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি খুব শিগগিরই কাজ শুরু করবে। ২. সাইমুম রেজার বিরুদ্ধে কেবল বিভাগীয় ব্যবস্থা নয়, প্রয়োজনে ফৌজদারি মামলা করার সুপারিশ করা হবে। ৩. প্রসিকিউটরদের নিয়োগ এবং তাদের কার্যকলাপে ডিজিটাল নজরদারি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিচারের বাণী যেন নিভৃতে না কাঁদে- সেই লক্ষ্যেই এখন থেকে ট্রাইব্যুনাল কঠোর অবস্থানে। সাইমুম রেজা তালুকদারের পদত্যাগ কেবল একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং এটি ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা সম্ভাব্য দুর্নীতিবাজদের জন্য এক সতর্কবার্তা। জনগণের আস্থার প্রতীক এই প্রতিষ্ঠানটি কি পারবে তার স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে? উত্তরের অপেক্ষায় পুরো জাতি।

Link copied!