ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

নির্মল বায়ুর অধিকার থেকে ঢাকাবাসী বঞ্চিত: ক্যাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মার্চ ২০, ২০২৪, ০৫:২৫ পিএম

নির্মল বায়ুর অধিকার থেকে ঢাকাবাসী বঞ্চিত: ক্যাপস

নির্মল বায়ু মানুষের অধিকার কিন্তু ঢাকা শহরের অধিবাসীরা এ অধিকার থেকে বঞ্চিত। জৈব জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুতে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হচ্ছে যা বায়ুর গুণগত মান নষ্ট করছে। তাই জীবাশ্ম জ্বালানি বন্ধ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করা গেলে সবার জন্য নির্মল বায়ু এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করেন বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার।

বুধবার (২০ মার্চ) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সেমিনার কক্ষে বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস), ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং শিশু ও যুব ফোরামের যৌথ আয়োজনে একটি অংশীজন শুনানি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর পরিবহণ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হায়দার আলী (যুগ্ম সচিব) বলেন, ‘বায়ুদূষণ রোধের জন্য প্রাপ্ত বরাদ্দ সমূহ সঠিকভাবে তদারকি করতে হবে এবং তার যথাযথ ব্যবহার ও নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ হতে রাস্তার ধুলাদূষণ কমাতে প্রতিদিন ২০টি গাড়ি রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করছে।’

ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিয়া ফারজানা বলেন, ‘আমাদের এখন সব থেকে বেশি প্রয়োজন সামগ্রিক ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো, যাতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনবিহীন যানবাহন রাস্তায় চলাচল না করতে পারে যা বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ।’

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের ব্যক্তিগত পর্যায়েও বায়ু দূষণ রোধে কাজ করতে হবে। বসতবাড়ি ও কর্মস্থলের বর্জ্য সঠিক স্থানে এবং সঠিকভাবে নিষ্কাশন করতে হবে। ব্যক্তিগত পর্যায়ের উদ্যোগসমূহ সরকারি কাজকে ত্বরান্বিত করতে ব্যাপকভাবে সহায়তা করবে।’

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশেদুজ্জামান মজুমদার বলেন, ‘দূষণমুক্ত জীবন নাগরিক অধিকার, সংবিধানের ১৮ক তে এই অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিবেশ দূষণ রোধে সরকারের পর্যাপ্ত আইন ও বিধিমালা রয়েছে, তাই মান্য করা প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য।’

পরিবেশ উদ্যোগ এর গবেষণা সমন্বায়ক ইঞ্জি. মো. নাছির আহম্মেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে বায়ু দূষণে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম স্থানে আছে, যা আমাদের জন্য মোটেও সুখকর নয়, পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণ কমানোর পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়ে গৃহ অভ্যন্তরীণ বায়ুদূষণ হ্রাসের জন্য পরিবারিক পর্যায় থেকেই কাজ করার দরকার।’

ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এর নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান বলেন, ‘দেশে যে পরিমাণ বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পেয়েছে তা রোধে আমাদের একটি কার্যকরী আইন প্রয়োজন, এটি রোধে বায়ুদূষণ বিধিমালা পর্যাপ্ত নয়। নির্মল বায়ু আইন যেটি পূর্বে খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে তা অতিশীঘ্রই চূড়ান্ত প্রণয়নের জন্য তিনি দাবি জানান।’

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর ডেপুটি ডিরেক্টর-ফিল্ড প্রোগ্রাম অপারেশন মঞ্জু মারীয়া পালমা বলেন, ‘বায়ু দূষণের ভুক্তভোগী আমরা সবাই। তাই সরকার, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসহ সকল সমমনা সংস্থা গুলোকে একসাথে কাজ করার জন্য যথাযথ পদ্দক্ষেপ নিতে হবে।’

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহমুদা পারভীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কয়েকটি সাবজেক্টে  বায়ুদূষণের সিলেবাস রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এটি নিয়ে মোটামুটি সচেতন হলেও শিশু কিশোররা এখনো এটি বুঝে উঠতে পারছে না। প্রাইমারী, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক পর্যায়ে বায়ুদূষণ বিষয়টি পাঠ্যবইয়ের যুক্ত করার উপর তিনি গুরুতারোপ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তানভীর শাকিল জয় বলেন, ‘আগামী ৫ বছরের মধ্যে পরিবেশ দূষণ ও বায়ুদূষণ রোধে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হবে। শুধুমাত্র পানি ছিটিয়ে বায়ুদূষণ রোধ করা সম্ভব নয়। বায়ুদূষণের উৎস গুলোকে বন্ধ করতে হবে। বর্জ্য পুড়িয়ে যেন বায়ুদূষন না হয় সেজন্য বর্জকে সম্পদের পরিণত করতে হবে যার আর্থিক মূল্য থাকবে, ফলে মূল্যবান বর্জ্য কেউ পুড়িয়ে লোকসান করবে না। পরিবহণের বায়ুদূষণ কমানোর জন্য তিনি জীবাশ্ম জ্বালানী ভিত্তিক পরিবহণ পরিহারের পরামর্শ দেন এবং পরিবেশ বান্ধব ইলেক্ট্রিক ভিহিকল ব্যবহারের প্রতি উৎসাহিত করেন।’

বিআরইউ

Link copied!