ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে ডিআইইউ: উপাচার্য

ডিআইইউ প্রতিনিধি

ডিআইইউ প্রতিনিধি

জুলাই ১১, ২০২৬, ০৩:২০ পিএম

গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে ডিআইইউ: উপাচার্য

গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)কে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে নতুন একাডেমিক বিভাগ চালু, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গঠন এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত 'স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী পুনর্মিলনী-২০২৬'-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই সব কথা বলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদানে নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনেও নিহিত। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শিক্ষকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরও বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়েও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিতকরণ ও রূপান্তর (হিট) প্রকল্পে একাধিক গবেষণা প্রস্তাব জমা দিয়েছে ডিআইইউ। পাশাপাশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনী প্রকল্পেও অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ডিসেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবম সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে ডেটা সায়েন্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিভাগ চালুর একাডেমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। অবকাঠামোগত কিছু সীমাবদ্ধতা দূর হলেই বিভাগটি চালু করা হবে।

অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ডিআইইউর বিভাগভিত্তিক অ্যালামনাই সংগঠনগুলোর পাশাপাশি 'ডিআইইউ প্রাক্তন শিক্ষার্থী' নামে একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম গঠনের কাজ চলছে। দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করেও এই নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করা হবে।

নিজস্ব শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, সম্প্রতি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে মেধার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও যোগ্যতা ও মেধাকে প্রাধান্য দিয়ে এই ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষকদের উৎসাহিত করতে বিদেশে ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) করার জন্য ছুটি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান উপাচার্য। একই সঙ্গে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিদায় বলে কিছু নেই। এটি আপনাদেরই প্রতিষ্ঠান। আপনারা যেকোনো সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবেন, মতামত দেবেন এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে পাশে থাকবেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এ.টি.এম. মাহবুবুর রহমান সরকার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম চৌধুরী, প্রক্টর ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেএইচআর

Link copied!