ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বিদেশি ফল প্যাশন মহেশপুরের মাটিতে প্রথম চাষ

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৫, ১১:৩৮ এএম

বিদেশি ফল প্যাশন মহেশপুরের মাটিতে প্রথম চাষ

ঝিনাইদহের মহেশপুরে চাষ হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও ফিলিপাইনের জনপ্রিয় ফল প্যাশন বা ট্যাং। তবে অঞ্চলভেদে এর ভিন্ন নামও আছে। অনেকে বলে আনারকলি আবার অনেকে বলে ট্যাং। দক্ষিণ আফ্রিকায় এটি পরিচিত পারপেল গ্রানাডিলা নামে। ফলটির বৈজ্ঞানিক নাম প্যাসিফ্লোরা ইডিউলাস। মিষ্টি স্বাদ ও উপকারিতার কারণে অনেক দেশেই ফলটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

তবে ঝিনাইদহ জেলার মাটিতে প্রথম এই ফলটি বাণিজ্যিক ভাবে চাষ শুরু করেছেন জেলার মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া গ্রামের নুরুল হাসানের ছেলে তরুণ কৃষক মাহমুদুল হাসান স্টালিন। 

জানা যায়, ৭ বছর আগে কৃষি কাজে জড়িয়ে পড়েন স্টালিন। একে একে চাষ করতে থাকেন পেয়ারা,ড্রাগন, কমলা কুল,মাল্টা। ইউটিউবে দেখে আগ্রহ জাগে প্যাশন ফল চাষে। যশোর থেকে  ৫টি চারা সংগ্রহ করে পরীক্ষা মূলক ভাবে চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তার আড়াই বিঘা প্যাশনসহ ২৫ বিঘা জমিতে পেয়ারা, ড্রাগন, কমলা, কুল, মাল্টা রয়েছে।

মাহমুদুল হাসান স্টালিন বলেন, বাণিজ্যিক ভাবে প্যাশন ফল আমি চাষ শুরু করেছি। এটি একটি লাভ জনক চাষ। অল্প খরচে কোন সার,সেচ,কীটনাশক ছাড়াই জৈব সার দিয়ে এই চাষ করা যায়। শুরুতে আমি ৫টি চারা দিয়ে পরীক্ষা মূলক চাষ শুরু করি। বর্তমানে আড়াই বিঘা জমিতে প্যাশনসহ ২৫ বিঘা জমিতে ফলের চাষ রয়েছে। তিনি আরও বলেন প্যাশন গাছে বছরে দুবার ফল ধরে। প্রতি বিঘায়  ১লক্ষ ফল পাওয়া যায়। প্রতি পিচ ফল শুরুর দিকে ৫-৭ টাকা বিক্রি করলেও বর্তমানে ১৫-২০ টাকা  দামে বিক্রি হচ্ছে। ফল বিক্রি কোনো ঝামেলা নাই চিটাগাংয়ের ব্যবসায়ীরা  জমি থেকে এসে নিয়ে যাচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ ফল গোলাকার বা ডিম্বাকার। কাঁচা অবস্থায় এটি সবুজ হয়। তবে পরিণত অবস্থায় হলুদ বা গাঢ় বেগুনি রং ধারণ করে। ফলটি অত্যন্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন। হাঁপানি ও ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যও এই ফল বিশেষ উপকারী। 

স্থানীয় চাষি হালিম বলেন, এই ফলটি আমার ৭০ বছর বয়সে কখনো দেখিনি ষ্টালিন প্রথম আমাদের মাঠে চাষ করে। এই ফল কোথায় বিক্রি করবে কারা খাবে এটা ভঅবতা কিন্তু এখন দেখছি ফল বিক্রি করার জন্য বাজারে নিয়ে যেতে হয় না। জমি থেকে ব্যাপারীরা কিনে নিয়ে যাচ্ছে।

সোহেল নামের আরেক চাষী বলেন, অল্প খরচে এই ফল চাষ করা যায় এবং দামেও বিক্রি করা যায়। সেজন্য আমি এই ফল চাষ করবো ভেবে ষ্টালিনের কাছে পরামর্শ নিচ্ছি। 

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরা ইয়াসমিন বলেন, ফলটি বিদেশি। কেউ এই ফল চাষে আগ্রহী হলে আমরা পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করব।

জেএইচআর

Link copied!