ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মোহনগঞ্জে রাস্তা খুঁড়ে ঠিকাদার উধাও, বিপাকে হাজারো কৃষক

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

মে ৪, ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম

মোহনগঞ্জে রাস্তা খুঁড়ে ঠিকাদার উধাও, বিপাকে হাজারো কৃষক

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে হাওর পাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা খুঁড়ে রেখে ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। বোরো মৌসুমের এই সময়ে ধান পরিবহন করতে না পেরে অনেকে বাধ্য হয়ে হাওরেই কম দামে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন। ঠিকাদারের এমন উদাসীনতায় ক্ষোভ বিরাজ করছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ৩নং তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ফাগুয়া গ্রামের পূর্ব দিক থেকে উকিল বাজার পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার রাস্তা পিচ ঢালাইয়ের জন্য দুই কোটি টাকা ব্যয়ে টেন্ডার দেওয়া হয় প্রায় তিন-চার বছর আগে। কাজটির কার্যাদেশ পান মদন উপজেলার ঠিকাদার এম এ ওয়াহেদ। কয়েক মাস আগে রাস্তার কাজ শুরু করে মাটি খুঁড়ে বালু ভরাট করার কথা থাকলেও বর্তমানে তা চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে আছে।

এলাকাবাসী জানান, ঠিকাদার রাস্তা খুঁড়ে স্থানীয় আল আমিন নামে এক ব্যক্তিকে বালু ভরাটের দায়িত্ব দিয়ে নিজে সটকে পড়েন। আল আমিন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তুলতে গেলে গ্রামবাসী বাধা দেয়। এরপর থেকেই কাজ বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি বৃষ্টি শুরু হলে খুঁড়ে রাখা গর্তে পানি জমে রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে যায়।

ফাগুয়া গ্রামের কৃষক মিনহাজ মিয়া বলেন, এমনিতেই শ্রমিক সংকটে ধান কাটা যাচ্ছে না, তার ওপর রাস্তার এই অবস্থার কারণে কাটা ধানও বাড়িতে নেওয়া যাচ্ছে না। বাজারে নিতে না পেরে বাধ্য হয়ে হাওরেই পাইকারদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে। একই আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন কৃষক রবিউল তালুকদার ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইকুল ইসলাম।

এ বিষয়ে ঠিকাদার এম এ ওয়াহেদ জানান, বালু সংকটের কারণে সময়মতো কাজ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া বৃষ্টির কারণেও কাজে বিঘ্ন ঘটছে। বৃষ্টি কমলে দ্রুত কাজ শুরু করবেন বলে তিনি দাবি করেন।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী ইকরামুল হোসেন বলেন, আমাদের না জানিয়েই বৃষ্টি শুরুর আগে ঠিকাদার রাস্তাটি খুঁড়েছে। পরে বালু সংকটের কারণে ভরাট করতে পারেনি। জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত রাস্তাটি ভরাটসহ নির্মাণ কাজ শেষ করতে ঠিকাদারকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, দ্রুত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী না করলে এই মৌসুমে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।

জেএইচআর

Link copied!