ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

তিন দিন শূন্যরেখায় থাকার পর ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

জুন ১৫, ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম

তিন দিন শূন্যরেখায় থাকার পর ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে কথিত ‘পুশইন’-এর ঘটনায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে তিন দিন শূন্যরেখায় অবস্থানের পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

সোমবার  সকাল ১১টার দিকে প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস পিলার এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংশ্লিষ্ট ১২ জনকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, দুই বাহিনীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং আলোচনার ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিদের বিএসএফ নিজেদের দায়িত্বে গ্রহণ করেছে।

বৈঠকে বিজিবির পক্ষে উপ-অধিনায়ক নুরুল হুদার নেতৃত্বে ৬ থেকে ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। অপরদিকে বিএসএফের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন রানীনগর কোম্পানি কমান্ডার এসি সুনীল কুমার যাদব।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের শনাক্ত করে বিজিবি। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাঁদের ফেরত দেওয়া হয়।

এর আগে গত শুক্রবার (১২ জুন) ভোরে ওই ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সেদিন বিকেলে পতাকা বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিএসএফের অসহযোগিতার কারণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি।

পরদিন শনিবার (১৩ জুন) বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস পিলার এলাকায় আরেক দফা বৈঠক হয়। তবে সেদিনও কোনো সমাধান না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শূন্যরেখায় অবস্থান অব্যাহত থাকে। প্রাথমিকভাবে বিএসএফ পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করে এবং শূন্যরেখায় থাকা ব্যক্তিদের নিজেদের নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বিজিবির আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদের পর বিষয়টি তদন্তের আশ্বাস দেয় বিএসএফ।

জানা গেছে, ওই ১২ জনের মধ্যে উজির আলী, তাঁর স্ত্রী জয়নুর বেগম ও তাঁদের তিন সন্তানসহ কয়েকটি পরিবারের সদস্য রয়েছেন। তাঁরা সবাই নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করেছিলেন। দীর্ঘ সময় সীমান্তের খোলা পরিবেশে অবস্থান, প্রচণ্ড গরম, মশার উপদ্রব এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

বিজিবি অধিনায়ক রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্তে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জেএইচআর

Link copied!