ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

গভীর রাতে পরনারীর সঙ্গে ধরা ইমাম, অতঃপর বিয়ে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ১৫, ২০২৬, ০৯:৪৬ পিএম

গভীর রাতে পরনারীর সঙ্গে ধরা ইমাম, অতঃপর বিয়ে

খুলনার পাইকগাছায় এক মসজিদের ইমাম তথা মাদরাসা কর্মচারীকে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তের চাকরিচ্যুতির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।

রোববার দুপুরে শান্তা বাজার সড়কে শিবসা সামাজিক যুব উন্নয়ন সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে স্থানীয় শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা অভিযোগ করেন, আলমশাহী মসজিদের ইমাম ও শান্তা নুরুল হক দাখিল মাদরাসার কর্মচারী মোস্তাকুল মোড়ল দীর্ঘদিন ধরে এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই গৃহবধূর অনুপস্থিতিতে তাঁর স্বামী বাড়িতে এসে মোস্তাকুলকে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দ করেন।

স্থানীয়দের দাবি, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তির এমন নৈতিক স্খলন সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই তাঁকে অবিলম্বে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্তের দাবি জানান তাঁরা।

এদিকে ফকিরাবাদ শান্তা আলহাজ্ব নুরুল হক দাখিল মাদরাসার অধ্যক্ষ কামরুল ইসলাম জানান, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মোস্তাকুল মোড়লকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ (শো-কজ) দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তাঁকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত মোস্তাকুল মোড়ল তাঁর বিরুদ্ধে আনা অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানান, ঘটনার পর তাঁরা বর্তমানে এলাকার বাইরে অবস্থান করছেন। তাঁরা দুজনে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে আইনগতভাবে বিয়ে সম্পন্ন করেছেন।

পরকীয়ার অভিযোগ, গণধোলাই, পুলিশি হস্তক্ষেপ এবং পরবর্তীতে বিয়ে সব মিলিয়ে পাইকগাছার এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকা জুড়ে এখনও আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এখন মাদরাসা কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়, সেদিকেই নজর রাখছেন স্থানীয়রা।

জেএইচআর

Link copied!