ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

কমলনগরের খেয়াঘাটে ইজারা শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ, ঝুঁকিতে যাত্রীসেবা

মোহাম্মদ জাকির শাহ, কমলনগর (লক্ষ্মীপুর)

মোহাম্মদ জাকির শাহ, কমলনগর (লক্ষ্মীপুর)

জুলাই ১৫, ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম

কমলনগরের খেয়াঘাটে ইজারা শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ, ঝুঁকিতে যাত্রীসেবা

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মাতাব্বরহাট ও মতিরহাট আন্তঃবিভাগীয় খেয়াঘাটের ইজারা ও পরিচালনা নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে ঘাট উপ-ইজারা দেওয়া, অনুমোদিত নৌযানের পরিবর্তে ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল পরিবহন, যাত্রীসেবার ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধার অভাব এবং প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী, মাঝিমাল্লা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ মুক্তার হোসেন ২০২৫–২৬ ও ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য আন্তঃবিভাগীয় এ খেয়াঘাটের ইজারা গ্রহণ করেন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বিধি অনুযায়ী ঘাটটি তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর বা উপ-ইজারা দেওয়ার সুযোগ না থাকলেও সেটি অন্যের কাছে আর্থিক চুক্তির মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইজারাদার মোহাম্মদ মুক্তার হোসেনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনার ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তিনি ঘাট অন্যের কাছে পরিচালনার জন্য দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের কোনো নথি প্রতিবেদকের কাছে উপস্থাপন করা হয়নি।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ঘাটে বিআইডব্লিউটিএ ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত এবং ফিটনেস সনদপ্রাপ্ত মোট ৮টি যাত্রীবাহী নৌযান থাকার কথা। কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায়, সেখানে মাত্র তিনটি ছোট নৌকায় যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। বর্ষাকালে নদী উত্তাল থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল নিয়ে নৌযান চলাচল করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় যাত্রীদের অভিযোগ, ঘাটে যাত্রী ওঠানামার জন্য নিরাপদ সিঁড়ি বা জেটি নেই। নেই যাত্রীছাউনি কিংবা গণশৌচাগার। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে, বিআইডব্লিউটিএর পরিবহন পরিদর্শক আব্দুর রহমান জানান, বর্ষাকালের সতর্কতা উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণ নৌযানে যাত্রী পারাপার বন্ধে একাধিকবার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ঘাটে পরিচালিত নৌযানের তালিকা চাওয়া হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা দেখানো সম্ভব হয়নি। বিষয়টি যাচাই করতে সময় চেয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

এএন

Link copied!