ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে ৯১ লাখের বেশি স্বাক্ষর

স্পোর্টস ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

জুলাই ১৫, ২০২৬, ০১:২১ পিএম

আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে ৯১ লাখের বেশি স্বাক্ষর

আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে অনলাইনে একটি পিটিশনকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। রেফারিং নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে দলটিকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে চালু করা ওই পিটিশনে ইতোমধ্যে ৯১ লাখ ৭৬ হাজারেরও বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।

আর্জেন্টিনার কয়েকটি ম্যাচে রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক থামছেই না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমীর দাবি, ম্যাচ পরিচালনায় পক্ষপাতিত্বের সুযোগ পেয়েই আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই দলটিকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি অনলাইন পিটিশন চালু করা হয়েছে, যা অল্প সময়েই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

‘আর্জেন্টিনাআউট ডটকম’ (argentinaout.com) নামে একটি ওয়েবসাইটে এই স্বাক্ষর সংগ্রহ চলছে। পিটিশনের উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, ফিফা এবং ম্যাচ পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা ইচ্ছাকৃতভাবে আর্জেন্টিনা ও দলটির অধিনায়ক লিওনেল মেসির পক্ষে সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন।

পিটিশনে বলা হয়েছে, ফিফা ও রেফারিদের আচরণ থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে তারা আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির প্রতি পক্ষপাত দেখাচ্ছেন। যদি আগেই চ্যাম্পিয়ন নির্ধারিত থাকে, তাহলে বিশ্বের অন্য দলগুলো কেন এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে? তাই আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে অন্য দলগুলোর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

এখন পর্যন্ত এই দাবির পক্ষে ৯১ লাখ ৭৬ হাজারের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন বলে পিটিশন সংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা গেছে।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক সৃষ্টি হয় শেষ ষোলোতে মিসরের বিপক্ষে ম্যাচের পর। ওই ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ দিকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচটিতে মিসরের একটি গোল আক্রমণের সূচনায় ফাউলের কারণে বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে নিজেদের ওপর ফাউল হয়েছিল বলেও দাবি জানায় মিসর।

ম্যাচ শেষে মিসরের পক্ষ থেকে ফলাফলকে ‘চরম অন্যায্য’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়। দলটির কোচ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিণতি যা-ই হোক, তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরে আসবেন না। তার ভাষায়, পুরো বিষয়টি সাজানো ছিল এবং সবাই তা দেখেছে। যদি আর্জেন্টিনাকেই জেতাতে হয়, তাহলে অন্য দলগুলোকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানোর প্রয়োজন কী?

তবে এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। তিনি বলেন, আর্জেন্টিনা অন্যায্য সুবিধা পাচ্ছে- এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপেও একই ধরনের কথা বলা হয়েছিল।

স্কালোনির মতে, কিছু মানুষ আর্জেন্টিনার সাফল্য মেনে নিতে পারেন না। এসব মন্তব্য তার দলকে আরও ভালো ফুটবল খেলতে অনুপ্রাণিত করে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রেফারিদের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের বিষয়ে স্কালোনি বলেন, বর্তমান সময়ে ভিএআরসহ এত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে যে কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে সুবিধা দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। তার ভাষায়, এখন সিদ্ধান্ত যাচাইয়ের জন্য পর্যাপ্ত প্রযুক্তি রয়েছে, তাই ভিন্ন ব্যাখ্যার সুযোগ খুবই সীমিত। অতীতে এমন কিছু হয়ে থাকতে পারে, তবে বর্তমান ফুটবলে পক্ষপাতিত্ব করা প্রায় অসম্ভব বলেই তিনি মনে করেন।

এএন

Link copied!