আগস্ট ২১, ২০২৩, ০৭:০১ পিএম
সিইনএড/ডিপিএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্কেল নির্ধারণে অনলাইন বেতন নির্ধারণী সিস্টেম থেকে ২০১৫ সাল অপশন বাদ দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা।
রোববার (২০ আগষ্ট) বেতন নির্ধারণ সিস্টেম আপডেট (আইবাস প্লাস) করার দাবীর নেতৃত্বদানকারী ও ১০ গ্রেড বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মু. মাহবুবর রহমান বলেন, এ দাবী দীর্ঘদিনের। সিস্টেম আপডেট না করলে সিইনএড/ডিপিএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র বলছে, আইবাস সিস্টেম আপডেট চাইলেই সম্ভব নয়। এটার যথাযথ প্রক্রিয়া রয়েছে। তবে সিস্টেম আপডেটের জন্য সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করা হবে।
ভুক্তভোগী শিক্ষকরা বলেন, গত ২৩ মার্চ ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জনাব মোহাম্মদ কবির উদ্দীন স্বাক্ষরিত "সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিইনএড/ডিপিএড প্রশিক্ষণগ্রহণকারী সহকারী শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ" বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করে সম্মানিত মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর মহোদয় বরাবর প্রেরণ করা হয় যার স্মারক নং ৩৮.০০.০০০০.০০৮.১২.০০১.১৭.১০১ উক্ত পরিপত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১২ আগস্ট ২০২০ সালের জারীকৃত একটি পত্রের স্মারক নং উল্লেখ করে ঘ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য বলে উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে সেখানে কোন সাল উল্লেখ করা হয়নি অথচ অনলাইন বেতন নির্ধারণী ibass++ সিস্টেম অপশনে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অপশন সন্নিবেশ করায় শুধুমাত্র ২০১৫ সালের পে স্কেলের পর যারা প্রশিক্ষণগ্রহণ করেছে তাদের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে ।
তারা বলছেন, ২০১৫ সালের আগে আমরা যারা সিইনএড প্রশিক্ষণগ্রহণ করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি তাদের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। যেহেতু অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১২ আগস্ট ২০২০ সালের জারীকৃত পত্রের ঘ অনুচ্ছেদে সাল উল্লেখপূর্বক কোন নির্দেশনা নাই তাই অনলাইন বেতন নির্ধারণী ibass++ সিস্টেমের অপশন থেকে ২০১৫ সাল বাদ দেওয়া হলে সিইনএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্কেল নিম্নধাপে হওয়ার কারণে আমরা যারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি তাদের বেতন নির্ধারণ উচ্চধাপে করা সম্ভব হবে।
আরএস
