ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বেরোবিতে জামায়াতপন্থি রেজিস্ট্রারের পরিবহন সুবিধা বন্ধ, হারাছেন চাকরি! 

আবু সাঈদ, বেরোবি

আবু সাঈদ, বেরোবি

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম

বেরোবিতে জামায়াতপন্থি রেজিস্ট্রারের পরিবহন সুবিধা বন্ধ, হারাছেন চাকরি! 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩ দিনের মাথায় চাকরি হারাতে বসেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন অর রশিদ। ইতোমধ্যে তার পরিবহন সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। 

রোববার দুপুরে অফিস শেষে পরিবহন সুবিধা না পেয়ে রিকশা করে অফিস ত্যাগ করেছেন ড. হারুন। খুব দ্রুত তিনি চাকুরি হারাতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। 

জানা যায়, গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে থাকা বিএনপি পন্থী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াত পন্থী রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন অর রশিদকে আজ রবিবার অফিসে না এসে ছুটিতে থাকতে বলা হয়েছিল। তবে রেজিস্ট্রার হারুন অর রশিদ ছুটিতে না থেকে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িতে অফিসে আসেন এবং অফিস করেন। এর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অফিসে আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিএনপিপন্থি শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপাচার্যের সাথে দফায় দফায় মিটিং করেন। 

প্রশাসনিক ভবনের একটি সূত্র জানায়, দুপুরে বিএনপিপন্থি কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে কিছু কর্মকর্তা এসে রেজিস্ট্রার দপ্তরের সবাইকে চলে যেতে বলে এবং তাকে কোন ধরনের সহযোগিতা না করার জন্য বলা হয়। তার কাছে ফাইল না পাঠাতে বলা হয়।

এ বিষয়ে রেজিস্টার হারুন- অর রশিদ বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পরে, আমাকে গতকাল অফিস না করে ছুটি থাকার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু আমার ছুটি নেওয়ার কোন কারণ না থাকায় আমি আজ যথারীতি অফিসে এসেছি এবং অফিসে কাজ শুরু করি। কিন্তু ওনারা মিটিং করে ঐ রকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে শুনেছি। দুপুরের খাবার সময় গাড়ি চাইলে আমাকে জানানো হয়, পরিবহন সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরে আমি রিক্সা করে যাতায়াত করছি।" 

এবিষয়ে পরিবহনপুলের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী রেজিস্টার পিক এন্ড ড্রপ পরিবহন সুবিধা পাবেন। কিন্তু রেজিস্টার অবৈধভাবে এর বাহিরে পরিবহন সুবিধা নিয়েছেন। তাই তার পরিবহন সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।"

এবিষয়ে কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামের বক্তব্য জানতে তাকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। এছাড়া তার হোয়াটসঅ্যাপে এসএমএস করা হলে তিনি দেখেও কোনো উত্তর দেননি।

এবিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী বলেন,"আমি ফোনে কথা বলবো না। অফিসে যোগাযোগ করো।" তিনি অফিসে আছেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, "আমার অফিসে না, আমার অফিসার দপ্তরে যোগাযোগ করো।"এরপর তিনি কল কেটে দেন। 

উল্লেখ্য যে, ড. মো. হারুন-অর রশিদকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয় বিগত ৫ই আগস্ট ২০২৪ এর পরে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য এবং উপাচার্য প্রফেসর ড, মো. শওকাত আলীর নেতৃত্বে গঠিত একটি সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তাকে চুক্তিভিত্তিক রেজিস্টার নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। 

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক ও কর্মকর্তা জাল সনদ ও মিথ্যা অভিজ্ঞতার তথ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে চাকরি করে আসছেন। এই দুর্নীতির কারণে অনেক জনকে বিচারের সম্মুখীন হতে হয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক এবং কর্মকর্তা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন।

এএন

Link copied!