ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় নির্বাচন

সরাসরি পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র, আসছে স্বতন্ত্র দল

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম

সরাসরি পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র, আসছে স্বতন্ত্র দল

বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলের কৌতূহল ও তৎপরতা তুঙ্গে। এর মধ্যেই স্পষ্ট হলো ওয়াশিংটনের অবস্থান। যুক্তরাষ্ট্র এই নির্বাচনে কোনো আনুষ্ঠানিক পর্যবেক্ষক দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সরাসরি না পাঠালেও একটি স্বাধীন পর্যবেক্ষক দল দেশটিতে আসবে। পাশাপাশি ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা সীমিত পরিসরে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। 

বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

ইসি সচিবের দেওয়া তথ্যমতে, মার্কিন দূতাবাস থেকে কর্মকর্তারা ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনার মতো বড় শহরগুলোতে ভোটের পরিস্থিতি দেখতে যাবেন। তবে তাদের এই কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ হিসেবে গণ্য করা হবে না। তারা মূলত নিজেদের তথ্য সংগ্রহের জন্য ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে একটি বেসরকারি ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞ দল আসার কথা রয়েছে, যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও পরিবেশ মূল্যায়ন করবে। এদিন সিইসি ও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা চলে। বৈঠকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং সম্ভাব্য গণভোটের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত জানতে চায় মার্কিন প্রতিনিধিদল।

সচিব জানান, মার্কিন কর্মকর্তাদের বিশেষ আগ্রহের জায়গা ছিল পোস্টাল ব্যালট। দেশের বাইরে থাকা নাগরিক বা বিশেষ দায়িত্ব পালনরত ব্যক্তিরা কীভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, সেই প্রক্রিয়াটি তারা খুঁটিয়ে দেখেছেন। এ ছাড়া নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। কোনো এলাকায় বাহিনীর পক্ষ থেকে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি বা হয়রানির খবর আছে কি না, সে বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রশ্নের জবাবে ইসি জানায়, স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো কিছু অভিযোগ এলেও সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক হতে যাচ্ছে। গত কয়েক মাসের সংস্কার কার্যক্রমের পর এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। নির্বাচন কমিশন দাবি করছে, তারা একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোট উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।

সরাসরি পর্যবেক্ষক না পাঠিয়ে স্বাধীন দল পাঠানো এবং দূতাবাসের কর্মকর্তাদের মাঠে নামানো একটি কৌশলগত অবস্থান। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি কোনো পক্ষ না নিয়ে নির্বাচনের গুণগত মান পর্যবেক্ষণ করতে চায়। ইতিপূর্বে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের জনগণের দ্বারা নির্বাচিত যেকোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত। আজকের বৈঠক সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে বর্তমান কমিশন বারবার রাজনৈতিক দলগুলোকে আস্থায় নেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ রাখাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। ইসি সচিব আখতার আহমেদ আশ্বস্ত করেছেন যে, এখন পর্যন্ত বড় কোনো বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি এবং কমিশন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। 

দেশের ভোটাররা এখন তাকিয়ে আছেন ভোটগ্রহণের দিনের দিকে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সরাসরি পর্যবেক্ষক না পাঠালেও, তাদের নজরদারি যে শিথিল নয়, তা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আজকের এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমেই প্রমাণিত হলো। নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী কাজ হলো বিদেশি স্বতন্ত্র পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র ইস্যু করা এবং জেলা পর্যায়ে নিরাপত্তা সমন্বয় নিশ্চিত করা। পোস্টাল ব্যালট নিয়ে মার্কিন আগ্রহের পর ইসি হয়তো এই প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করবে।

জেএইচআর

Link copied!