ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস অনুষ্ঠানে বক্তারা

দ্রুত চিকিৎসায় স্ট্রোক রোগীর পূর্ণ সুস্থতা মিলে

মো. মাসুম বিল্লাহ

অক্টোবর ২৯, ২০২২, ০৩:৫১ পিএম

দ্রুত চিকিৎসায় স্ট্রোক রোগীর পূর্ণ সুস্থতা মিলে

শহরের চেয়ে গ্রামে স্ট্রোক প্রবণতা বেশি। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, মোট স্ট্রোক রোগীর ৪৭ শতাংশ শহরের আর ৫৩ শতাংশ গ্রামের। 

এমন পরিস্থিতিতে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার বিষয়ে প্রান্তিক পর্যায়ে তথ্য পৌঁছাতে হবে। তাহলে স্ট্রোক জনিত মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট চিকিৎসকরা। 

শনিবার (২৯ অক্টোবর) বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার হাইপার অ্যাকিউট স্ট্রোক কেয়ার ইউনিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ নিউরোলজী সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফিরোজ আহমেদ কোরাইশি বলেন, স্ট্রোক বিশ্বের দ্বিতীয় মৃত্যুর কারণ। দেশের ৬০ তদুর্ধ্ব মানুষের স্ট্রোক ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

সম্প্রতি ভারত-বাংলাদেশে ইয়াংদের মধ্যেও স্ট্রোকের বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এখন দেখা যাচ্ছে চল্লিশ তদুর্ধ্ব যারা স্মোক করে, ডায়াবেটিস আছে কিংবা উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন কর্মক্ষম মানুষও স্ট্রোকের শিকার হচ্ছেন।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় আশংকার বিষয় যে, শহরের চেয়ে এখন গ্রামে স্ট্রোক প্রবণতা বেশি। এজন্য স্ট্রোক বিষয়ে গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে। সরকারের মধ্যেও স্ট্রোক রোগীর কেয়ার বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। ঠিক সময়ে স্ট্রোক রোগীকে সঠিক চিকিৎসা দিতে হবে। 

দেশের মানুষকে জানাতে হবে কারো স্ট্রোক হলে বিলম্ব না করে হাসপাতালে নিতে হবে। যেখানে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে স্ট্রোকের রোগী ভর্তি করলে সামান্য ওষুধে সুস্থ করা সম্ভব। 

সেইসাথে এই বিষয়টিও জানাতে হবে হাইপার অ্যাকিউট স্ট্রোক কেয়ারের মাধ্যমে জনগণকে পঙ্গুত্ব থেকে বাঁচানো সম্ভব। এটাই আমাদের লক্ষ্য।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু নাসির রিজভী বলেন, বাংলাদেশে নিউরোলজি চিকিৎসা অনেক দূর এগিয়েছে। 

গত দুইবছর আগে আমরা বিএসএমএমইউতে স্ট্রোক কেয়ার ইউনিট চালু করেছি। কিছুদিন আগেও এমন অবস্থা চিন্তা করা যেতো না।

তিনি বলেন, আমি খুশি হয়েছি এভারকেয়ার হসপিটাল হাইপার অ্যাকিউট স্ট্রোক কেয়ার শুরু করেছে। স্ট্রোককে অনেকে হার্টের অসুক মনে করেন। কিন্তু এটা যে ব্রেইনের অসুক সে বিষয়টা আমাদের জানানো দরকার। 

স্ট্রোক ম্যানেজমেন্ট সেন্টারে ঠিক সময়ে নিয়ে আসলে অল্প সময়ে রোগীর সুস্থতা সম্ভব। এই তথ্যটা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।

বেসরকারি হাসপাতালে হাইপার অ্যাকিউট স্ট্রোক কেয়ার ইউনিটের খরচ সম্পর্কে জানাতে গিয়ে এভাবকেয়ার হসপিটাল ঢাকার ডিরেক্টর অব মেডিকেল সার্ভিসেস ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, স্ট্রোকের চিকিৎসা ব্যয় সুনির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন। 

কেনো না স্ট্রোক রোগীর অন্যান্য জটিলতা তৈরি হলে সে সব সমস্যারও চিকিৎসা করাতে হয়। আমাদের এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার হাইপার অ্যাকিউট স্ট্রোক কেয়ার সেন্টারের সিটিস্ক্যান করাতে ৭ থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকা খরচ হবে। বাকি খরচ যেমন বেড ভাড়া, ওষুধ ও চিকিৎসকের ভিজিটসহ অন্যান্য খরচ হসপিটালের অন্য রোগীর মতো হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার নিউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. খন্দকার মাহবুবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এভারকেয়ারের হাইপার অ্যাকিউট স্ট্রোক কেয়ার ইউনিটে দক্ষ মেডিকেল কর্মী ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা ২৪ ঘন্টা রোগীদের সেবা প্রাদানে নিয়োজিত থাকবে। 

এখানে রোগীর জন্য থ্রাম্বোলাইটিক থেরাপি প্রাদান এবং চিকিৎসকের তত্বাবধায়নে পোস্ট থ্রাম্বোলাইসিস রোগীর চিকিৎসা হবে। এছাড়াও ইউনিটটিতে স্ট্রোক রোগীর জন্য ডেডিকেটেড বেড ও অত্যাধুনিক চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা রয়েছে।

টিএইচ

Link copied!