আমার সংবাদ ডেস্ক
জুলাই ১০, ২০২৬, ১২:২২ এএম
আন্তর্জাতিক বাজারে এক সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার পর ফের বড় ধরনের লাফ দিয়েছে স্বর্ণের দাম। দরপতনের সুযোগ নিয়ে বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের আকস্মিক কেনাকাটা বাড়ায় মূল্যবান এই ধাতুর দাম ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর পাশাপাশি আগস্টে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার বা চুক্তিমূল্য ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩৭ দশমিক ২০ ডলারে পৌঁছেছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রকাশিত এক নোটে ২০২৬ ও ২০২৭ সালের জন্য স্বর্ণের গড় দামের পূর্বাভাস কিছুটা কমিয়েছে। ব্যাংকটি ২০২৬ সালের জন্য স্বর্ণের দামের পূর্বাভাস ৪ হাজার ৮৬৪ ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার৫৬০ ডলার এবং ২০২৭ সালের জন্য ৫ হাজার ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৯২৫ ডলারে নামিয়েছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও বৃহস্পতিবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ৩৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬২৮ দশমিক ২২ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৫৬ দশমিক ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে।
বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান স্টোনএক্সের সিনিয়র মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট বব হ্যাবারকর্ন বলেন, ‘আগের দিনের দরপতনের পর বাজারে আবারও বিনিয়োগকারীদের স্বর্ণ কেনার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের দামের সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হলো মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হার-সংক্রান্ত নীতি। ফেড যদি আরও নমনীয় নীতি গ্রহণ করে, তাহলে স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়তে পারে। তবে ফেড যদি সুদের হার বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়, তাহলে মূল্যবান ধাতুর বাজারে উল্টো চাপ তৈরি হবে।’
এমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্যানুযায়ী, বিশ্ববাজারের ব্যবসায়ীরা বর্তমানে আগামী সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির প্রায় ৬৩ শতাংশ সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখছেন, যা বাজারের এই উত্থান-পতনের পেছনে ভূমিকা রাখছে।
জেএইচআর