ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মাগুরায় বাঁশ ও বেত কারিগরদের দুর্দিন

শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৩, ০৫:১৭ পিএম

মাগুরায় বাঁশ ও বেত কারিগরদের দুর্দিন

মাগুরায় প্লাষ্টিক শিল্পের আধুনিক জিনিসপত্রের প্রভাবে হারিয়ে বসেছে বাঁশ ও বেত শিল্প। ফলে এ শিল্পের সাথে জড়িত জেলার প্রায় ৪ শতাধিক কারিগর বিপাকে পড়েছে। তাদের তৈরি জিনিসগুলো বিক্রি হচ্ছে না। হাতে তৈরি এই জিনিস গুলো কিনতে বাইরের থেকে আসা ব্যাপারিরা না আসায় বাড়ির বাইরেই পড়ে হয়েছে পণ্য । বেশি বৃষ্টিপাত হলে আবার পানি লেগে নষ্ট হচ্ছে জিনিসগুলো। 

এ শিল্পের সাথে জড়িত মাগুরা নতুন বাজার ঋষি পল্লীর গোপাল জানান, বাঁশ ও বেত দিয়ে আমরা হাতে তৈরি বিভিন্ন ঝুড়ি, ঝাকা, ডালা-কুলা, চারোন, বেড়া তৈরি করি। আমাদের তৈরি জিনিসগুলো হাটে বাজারে বিক্রি করি। 

তাছাড়া এ জিনিসগুলো কিনতে বাইরের ব্যাপারিরা আমাদের বাড়িতে আসে। বিভিন্ন মাছের আড়তে আমাদের জিনিসপত্র চলে কিন্তু প্লাষ্টিক শিল্পের আধুনিক জিনিসপত্র বেড়ে যাওয়ায় বাইরের ব্যাপারিরা আসছে না। ফলে অনেক তৈরি পণ্য আমাদের বাড়িতে পড়ে আছে। বাড়ির বাইরের উঠানে রাখতে হচ্ছে সেগুলো। অনেক সময় অধিক বৃষ্টি এলে জিনিসগুলো পানিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে। হাটে বাজারের নেই ক্রেতা। বেচা-বিক্রি না থাকায় আমরা পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। সরকার থেকে এখনো কোন সাহায্য সহযোগিতা পায়নি। 

মাগুরা সদরের বরই গ্রামের বাঁশ শিল্পের কারিগর সুবিমল,রতনসহ অনেকে বলেন,বর্তমান প্লাষ্টিক শিল্পের জন্য আমাদের হাতে তৈরি বাঁশের শিল্প ভাটা পড়েছে । মানুষ এখন বাসা-বাড়িতে প্লাস্টিক শিল্পের জিনিসপত্র ব্যবহার করছে। আমাদের তৈরি পণ্য বিক্রি করতে পারছি না। বাইরের ব্যাপারিরা আসছে না। ফলে আমাদের কাজ বন্ধ রয়েছে। পূর্বের তৈরি পণ্যসামগ্রী ঘরে পড়ে রয়েছে। বেচা-বিক্রি না থাকায় আয় কমেছে আমাদের। আমরা গ্রামে থাকি আমাদের পল্লীর মানুষজনের কেউ খোজ খবর রাখে না। বর্তমানে আমাদের তৈরির বাঁশের চাটাই, বড় ঝুড়ি মাছের বড় বড় আড়তে চলে। 

বরিশাল, পটুয়াখালি, ফরিদপুর ও চট্রগ্রাম জেলার অনেক মাছের আড়তের ব্যাপারিরা আমাদের তৈরি পণ্য কেনে ও অর্ডার দেয়। আবার বেশি প্রয়োজন হলে ট্রাকে করে পণ্য নিয়ে যায়। কিন্তু প্লাষ্টিক পণ্যের জিনিসপত্র বেড়ে যাওয়ায়  আমরা পণ্য বিক্রি করতে পাচ্ছি না। ফলে নানা র্দুদিন যাচ্ছে আমাদের।   

কেএস 

Link copied!