ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জে বিউবো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাসিক বেতন দ্বিগুণ, অভিভাবকরা চরম ক্ষুব্ধ

সিদ্ধিরগঞ্জ( নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিদ্ধিরগঞ্জ( নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

জুন ৬, ২০২৪, ০১:১৭ পিএম

সিদ্ধিরগঞ্জে বিউবো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাসিক বেতন দ্বিগুণ, অভিভাবকরা চরম ক্ষুব্ধ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) কর্তৃক পরিচালিত বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিশু থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আকস্মিকভাবে দ্বিগুণ বেতন ও সেশন ফি বৃদ্ধি করার খবর পাওয়া গেছে। এতে নন পিডিবির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সিদ্ধিরগঞ্জে কোন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় না থাকায় এলাকার গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে উক্ত বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে লেখাপড়া করে আসছে।

কিন্তু হঠাৎ করে গত মাসে বেতন ও সেশন ফি দ্বিগুণ বৃদ্ধি করে তা জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে বলে জানায় প্রধান শিক্ষক। এতে নন পিডিবি’র শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতনমহল চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বেতন ও সেশন ফি কমানোর জোর দাবি জানান।

জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই নন পিডিবি’র। এ প্রতিষ্ঠানে বিউবোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে ভর্তি ও বেতন ফি মাত্র ১০ টাকা থেকে ৫০ টাকা এবং সেশন ফি মাত্র ৩০০ টাকা। 
একই বিদ্যালয়ে যে সকল নন পিডিবি’র শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়েছে তাদের বেতন দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নবম ও দশম শ্রেণিতে সেশন ফি ১২০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা এবং মাসিক বেতন ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অষ্টম শ্রেণিসহ প্রাথমিক শাখার শিক্ষার্থীদের একই হারে দ্বিগুণ বেতন ও সেশন ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী অভিভাবকরা জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় কোন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় না থাকায় আমরা এ বিদ্যালয়ে ভর্তি করাই কিছুটা সুবিধা পাওয়ার আশায়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক ছাত্রদের বেতন ও সেশন ফি দ্বিগুণ বৃদ্ধি করায় আমাদের পক্ষে খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাছাড়া এ বেতন গত জানুয়ারি মাস থেকে কার্যকর করায় আমাদের উপর চাপ আরও বেড়েছে। বর্তমান বাজারের দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালানোই হিমশিম খাচ্ছি। গত ছয় মাসের বেতনের টাকা ও সেশন ফি এক সাথে কীভাবে পরিশোধ করব এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন অনেক অভিভাবকরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নবম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানায়, স্কুল থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে নন পিডিবি’র নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিমাসের বেতন দ্বিগুণ বাড়িয়ে ধার্য করা হয়েছে ৫শ’ টাকা, যা আগে ছিল ২শ’ ৫০ টাকা  সেশন ফি ২ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ১ হাজার ২শ’ টাকা ও মূল্যায়ন ফি ৫শ’ টাকা, যা আগে ছিল ২৫০ টাকা। একই শ্রেণীতে পিডিবি’র কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পড়–য়া ছেলে-মেয়েদের মাসিক বেতন মাত্র ৫০ টাকা, সেশন ফি ৩শ’ টাকা ও মূল্যায়ন ফি ৩শ’ টাকা। একইভাবে প্রতিটি শ্রেণিতে নন পিডিবি’র শিক্ষার্থীদের বেতন ও সেশন হার দ্বিগুণ করা হয়েছে। আরেক অভিভাবক জানান, স্কুল কর্তৃপক্ষ প্রতিমাসে বেতন না নিয়ে বছরে দুইবারসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক পাওনাদি আদায় করছেন। এতে গরীব ও অসহায় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা একসঙ্গে মোটা অঙ্কের টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। যদি একাধিক শিক্ষার্থী হয় তাদের বিপদের শেষ নেই। আকস্মিকভাবে বেতন, সেশন ফি ও পরীক্ষার ফি দ্বিগুণ করায় নন পিডিবি’র শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

অত্র বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানায়, এ থানা এলাকায় কোন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় না থাকায় আমরা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করাই কিছুটা সুবিধা পাওয়ার আশায়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক ছাত্রদের বেতন ও সেশন ফি দ্বিগুণ বৃদ্ধি করায় আমাদের পক্ষে খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাছাড়া এ বেতন গত জানুয়ারি মাস থেকে কার্যকর করায় আমাদের উপর চাপ আরও বেড়েছে। বর্তমান বাজারের দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালানোই হিমশিম খাচ্ছি। তার উপর বেতন ও সেশন ফিসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক দ্বিগুণ দিতে হবে। গত ছয় মাসের বেতনের টাকা ও সেশন ফি এক সাথে কীভাবে পরিশোধ করব এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন অনেক অভিভাবকরা।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদুল মতিন জানায়, নন পিডিবির শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কারণে বিদ্যালয়ের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য গত ডিসেম্বর মাসে বেতন করেছে ম্যানেজিং কমিটি বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।  

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সিদ্বিরগঞ্জ বিউবোর প্রধান প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন খলিফা জানায়, বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারে আমার জানা নাই। আমার প্রায় দুই বছর হয়ে গেছে। আমি যোগদানের আগের কমিটির সিদ্ধান্ত হতে পারে। অনিয়ম হলে আমি খবর নিয়ে বিউবো এর চেয়ারম্যানকে জানাবো।

বিআরইউ

Link copied!