ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মহেশখালীতে জাপানি মডেলে আদর্শ মৎস্যগ্রাম

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম

মহেশখালীতে জাপানি মডেলে আদর্শ মৎস্যগ্রাম

বঙ্গোপসাগরের বিশাল নীল জলরাশিকে টেকসই অর্থনীতির শক্তিতে রূপান্তর এবং সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল বাংলাদেশ। সাগর সংরক্ষণ এবং টেকসই নীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমি গড়ে তুলতে জাপানের খ্যাতনামা ‘সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন’ (এসপিএফ)-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)।

বুধবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়। 

অনুষ্ঠানে মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং এসপিএফ-এর ওশান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সভাপতি অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন।

সমঝোতা সই প্রত্যক্ষ করার পর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাগর দূষণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমাদের সাগর একটি বড় সম্পদ, কিন্তু এটি দিন দিন দূষিত হচ্ছে। সমুদ্রের কয়েক হাজার মিটার গভীরেও এখন প্লাস্টিক বর্জ্যের অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। এই সমঝোতা আমাদের সাগর রক্ষা ও পরিষ্কার রাখতে ঢাল হিসেবে কাজ করবে।

এই গবেষণায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউট যুক্ত থাকবে বলে প্রধান উপদেষ্টা জানান। জাপানের নীল অর্থনীতির মডেল অনুসরণ করে মহেশখালীর তিনটি গ্রামকে ‘উমিগিও’ বা সামুদ্রিক শিল্পভিত্তিক আদর্শ মৎস্যগ্রাম হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এই চুক্তির আওতায় জেটি নির্মাণ, স্বয়ংক্রিয় মাছ অবতরণ কেন্দ্র, কোল্ডচেইন এবং উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

এছাড়াও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গভীর সমুদ্র থেকে মাছ আহরণ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করা হবে। জেলেদের কল্যাণ, সাগরে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও থাকছে এই প্রকল্পে। মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

অন্যদিকে, অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো আশা প্রকাশ করেন, এই সহযোগিতার মাধ্যমে জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরালো হবে এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। গত ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত নর্থইস্ট ইন্ডিয়ান ওশান রিজিওনাল ডায়ালগের অংশ হিসেবে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি সই হয়।

জেএইচআর

Link copied!