ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

শুরু হলো মহান স্বাধীনতার মাস অগ্নিঝরা মার্চ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ১, ২০২৬, ১২:৪০ পিএম

শুরু হলো মহান স্বাধীনতার মাস অগ্নিঝরা মার্চ

শুরু হলো মহান স্বাধীনতার মাস অগ্নিঝরা মার্চ। ১৯৭১ সালের এই মাসের শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। বাঙালি জাতির জীবনে এ মাসটি ঘটনাবহুল, বিভীষিকার মাস। পাশাপাশি গৌরবেরও এই মার্চ মাস।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা হয়। বাঙালি জাতি হাজার বছরের শৃঙ্খলা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে আসে। এ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের ঔপনিবেশিক শাসন, শোষণ, নির্যাতনের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন এক পর্যায়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়। ধারাবাহিকভাবে চলে আসা এ আন্দোলন-সংগ্রাম ১৯৭১ সালের মার্চে এসে স্ফুলিঙ্গে রূপ নেয়।

২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এর পরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এই দিনই চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর (পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি) জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে বাঙালি জাতি। এই দিনটি একটি সংগ্রামী জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবের একটি দিন।

এর আগেই ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে বাঙালি জাতির ওপর নেমে আসে বিভীষিকাময় মুহূর্ত। সেই রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বর্বরোচিতভাবে বাংলাদেশের নিরীহ মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু করে বিশ্বের ইতিহাসের কলঙ্কজনক গণহত্যা। এরপরই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই স্বাধীনতার ঘোষণার আগে মার্চের শুরু থেকে স্বাধীনতার জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এগোতে থাকে। ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিতে জাতিকে দিকনির্দেশনা দেন। বাঙালির এই স্বাধীনতার আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে ভেতরে ভেতরে প্রস্তুতি নিতে থাকে পাকিস্তানি জান্তারা।

২৬ মার্চে স্বাধীনতার ঘোষণার পর শুরু হয় বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর বাঙালি নিধন অভিযান। স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঙালি জাতি। অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে পাকিস্তানের এই বর্বরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় বাংলার সর্বস্তরের মানুষ। শুরু হয় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে চলে বাঙালির মরণপণ যুদ্ধ। বীরত্বপূর্ণ মুক্তিযুদ্ধের এক পর্যায়ে বাঙালি বিজয়ের দিকে ধাবিত হতে থাকে।

১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করে বাংলাদেশ। ওইদিন পাকিস্তানি সেনারা আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর (ভারতীয় বাহিনী) যৌথ কমান্ডের কাছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। রক্তক্ষয়ী এই মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মার্চ মাস বাঙালির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস।

এএন

Link copied!