ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
এমটিএফই প্রতারণা

পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকা ফেরত আনল সিআইডি

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ৩০, ২০২৬, ০২:১০ পিএম

পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকা ফেরত আনল সিআইডি

অনলাইনভিত্তিক বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এমটিএফই (মেটারভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জ)-এর মাধ্যমে পাচার হওয়া বিপুল অর্থের একটি অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। 

সোমবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। উদ্ধারকৃত অর্থের পরিমাণ ৩৬ লাখ ২২ হাজার ৯৯৮ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৪ কোটি ১৪ লাখ টাকারও বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) ডিআইজি মো. আবুল বাশার তালুকদার জানান, উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ফরেক্স ট্রেডিংয়ের নামে এমটিএফই গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। ২০২৩ সালে খিলগাঁও থানায় জনৈক ভুক্তভোগীর করা দুই লাখ টাকা প্রতারণার মামলার সূত্র ধরে তদন্তে নামে সিআইডি। অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হাজার হাজার বিনিয়োগকারী কয়েকশ কোটি টাকা খুইয়েছেন।

সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২২ সালের জুন থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে এমটিএফই। ফেসবুক ও ইউটিউবে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্টে কৃত্রিম মুনাফা দেখানো হতো। শুরুতে কিছু অর্থ ফেরত দিয়ে বিশ্বাস অর্জন করলেও ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে কার্যক্রম বন্ধ করে চক্রটি উধাও হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীদের অর্থ বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেটের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়েছিল।

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের প্রক্রিয়ায় সিআইডি আন্তর্জাতিক ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ 'ওকেএক্স' (OKX)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ব্লকচেইন বিশ্লেষণের মাধ্যমে অর্থের উৎস নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশনায় সোনালী ব্যাংকে সরকারি হিসাব খুলে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 'অ্যাসেট রিয়েলিটি লিমিটেড'-এর সহায়তায় ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধ মুদ্রায় রূপান্তর করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

সিআইডি জানায়, বর্তমানে মামলার তদন্ত চলছে এবং ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করে আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের অর্থ ফেরত দেওয়ার কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে পাচার হওয়া অবশিষ্ট অর্থ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের লোভনীয় অফারের ফাঁদে না পড়ার জন্য সিআইডির পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!