ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

এআই ক্যামেরার মামলার ভয় দেখিয়ে প্রতারণা, তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে চক্র

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২৫, ২০২৬, ০৯:২৫ এএম

এআই ক্যামেরার মামলার ভয় দেখিয়ে প্রতারণা, তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে চক্র

রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উদ্যোগে সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই আধুনিক প্রযুক্তির সুযোগ নিয়েই মেতে উঠেছে একটি প্রতারক চক্র। সাধারণ যানবাহনের মালিকদের মোবাইলে বিদেশি নম্বর থেকে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ভুয়া এসএমএস পাঠিয়ে ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংকিং গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন ট্রাফিক অ্যালার্ট গ্রুপ এবং ব্যক্তিগত টাইমলাইনে অনেক ভুক্তভোগী এ ধরনের প্রতারণামূলক মেসেজ পাওয়ার কথা জানান। সরকারের সুনির্দিষ্ট প্রচারণার অভাবে সাধারণ চালক ও নাগরিকরা এই নতুন প্রযুক্তির মামলার নিয়ম বুঝতে গিয়ে বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন।

ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতারক চক্রটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) লোগো ব্যবহার করে একটি ভুয়া মেসেজ পাঠাচ্ছে। সেখানে একটি ভুয়া মামলা নম্বর উল্লেখ করে বলা হয়, স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার ক্যামেরা অনুযায়ী গাড়িটি গতিসীমা লঙ্ঘন করেছে।

মেসেজে নাগরিকদের মনে ভয় ও জরুরি তাগিদ তৈরি করতে বলা হচ্ছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে এবং তথ্য জাতীয় ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। জরিমানা পরিশোধের জন্য সরকারি ওয়েবসাইটের আদলে তৈরি একটি ভুয়া লিংকও (যেমন: .online বা .icu ডোমেইন সংবলিত) জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। মূলত এই লিংকে ক্লিক করলেই ব্যবহারকারীদের ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ওটিপি চুরির ঝুঁকি তৈরি হয়।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, একটু সচেতন হলেই এই ফিশিং বা প্রতারণার ফাঁদ এড়ানো সম্ভব। ভুয়া মেসেজগুলো সাধারণত বাংলাদেশের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কোড নম্বর থেকে না এসে বিভিন্ন বিদেশি নম্বর (যেমন: ফিলিপাইনের কোড +৬৩) থেকে আসে। তা ছাড়া, বাংলাদেশ সরকারের সব অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবা সাধারণত '.gov.bd' ডোমেইনের অধীনে পরিচালিত হয়। ডোমেইনের নামের মাঝে govbd লিখে শেষে .online বা অন্য কিছু থাকলে তা কোনোভাবেই সরকারি সাইট নয়। প্রতারকরা মানুষকে আতঙ্কিত করে দ্রুত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার মতো সময় বেঁধে দেয়, যা সাইবার অপরাধের একটি পরিচিত কৌশল।

এই প্রতারণার বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং বিআরটিএ-এর পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বিআরটিএ থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো মামলা দেওয়ার সুযোগ নেই এবং সংস্থাটি এ ধরনের কোনো মামলার জরিমানাও গ্রহণ করছে না। বিআরটিএ-এর নাম ব্যবহার করে কেউ টাকা দাবি করলে তা সম্পূর্ণ প্রতারণা।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, এআই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ডিএমপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো নাগরিকের মোবাইলে মেসেজ পাঠানো শুরু হয়নি। বর্তমানে ডিজিটাল মামলার নথি বা ডকুমেন্ট ডাকযোগে সরাসরি গাড়ির মালিকের বাসার ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে। যার নামে মামলা হবে, তিনি সরাসরি ট্রাফিক বিভাগের নির্ধারিত অফিসে যোগাযোগ করে জরিমানা পরিশোধের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করবেন। কোনো লিংকে ঢুকে অনলাইনে কার্ডের তথ্য দিয়ে টাকা পরিশোধ করার আগে নাগরিকদের যাচাই-বাছাই করার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ।

জেএইচআর

Link copied!