ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২৬
কৃষিমন্ত্রী

আধুনিক প্যাকিং ইউনিটে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে গতি আসবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই ৬, ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম

আধুনিক প্যাকিং ইউনিটে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে গতি আসবে

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন-উর রশীদ বলেছেন, দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হাইজিনিক প্যাকিং ও ট্রিটমেন্ট সুবিধাসম্পন্ন আধুনিক প্যাকিং ইউনিট চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমসহ বিভিন্ন ফল ও সবজি রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। একই সঙ্গে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং বৈদেশিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

সোমবার ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট (ভিএইচটি) প্ল্যান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে আধুনিক হাইজিনিক প্যাকিং ও ট্রিটমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই প্ল্যান্টে বিশ্বমানের প্যাকিং ও ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে আম, লিচু, কাঁঠাল, বরই, পেঁপে, টমেটো, আলুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য রপ্তানির উপযোগী করে প্রস্তুত করা যাবে।

তিনি বলেন, দেশে বছরে প্রায় ২৬ লাখ টন আম উৎপাদিত হলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় কৃষক কাঙ্ক্ষিত দাম পান না। তাই কৃষকের আয় বাড়াতে কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

আমিন-উর রশীদ বলেন, নতুন ট্রিটমেন্ট ও প্যাকিং ব্যবস্থার ফলে কৃষিপণ্যের সঙ্গে ক্ষতিকর পোকামাকড় বা জীবাণু বিদেশে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে না। এতে আমদানিকারক দেশগুলোর আস্থা বাড়বে এবং বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের রপ্তানি আরও সম্প্রসারিত হবে।

তিনি জানান, বাংলাদেশের আমের প্রতি জাপান, চীন, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ বাড়ছে। একইভাবে কাঁঠালসহ অন্যান্য ফলেরও আন্তর্জাতিক বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে। নতুন প্যাকিং সুবিধা এসব বাজারে প্রবেশকে আরও সহজ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রপ্তানিকারকদের সুবিধার্থে প্যাকিং ইউনিটেই কোয়ারেন্টাইন সেবা চালুর ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এর ফলে একই স্থানে পণ্য ধোয়া, প্যাকিং এবং কোয়ারেন্টাইন সনদ গ্রহণ করা যাবে। এতে সময় ও ব্যয় কমবে এবং রপ্তানি প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে।

তিনি আরও জানান, বিমানবন্দরে রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কার্গো পরিবহনের সক্ষমতা ও সমন্বয় বাড়াতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য দেশজুড়ে মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের অপচয় কমানো, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং সারা বছর তুলনামূলক স্থিতিশীল দামে ভোক্তাদের কাছে কৃষিপণ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

রপ্তানিকারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা এবং ক্রেতাদের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি শতভাগ রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের প্রতি বৈশ্বিক আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক প্যাকিং, ট্রিটমেন্ট, কোয়ারেন্টাইন ও সংরক্ষণব্যবস্থার সমন্বয়ে দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি নতুন গতি পাবে এবং কৃষি খাত জাতীয় অর্থনীতির আরও শক্তিশালী চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

এএন

Link copied!