ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বন্যাকবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৪:২২ পিএম

বন্যাকবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

দেশের বন্যাদুর্গত জেলাগুলোতে চিকিৎসাসেবা নির্বিঘ্ন রাখতে মাঠপর্যায়ের সব স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ছুটি প্রথম দিন থেকেই বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থেকে মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর পিআইডি সম্মেলন কক্ষে বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলা, জরুরি সাড়াদান ও সমন্বয় বিষয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) সঙ্গে প্রতিদিন ভার্চ্যুয়াল বৈঠক করে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে। কোনো রোগী যেন চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি আগেই নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে ইতোমধ্যে ২১ হাজার অ্যান্টি-স্নেক ভেনম সরবরাহ করা হয়েছে এবং কেন্দ্রীয়ভাবে আরও এক হাজার ভায়াল মজুত রয়েছে। এখন পর্যন্ত সাপে কাটা সব রোগীকে সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং এ ধরনের কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

গর্ভবতী নারী, প্রসূতি ও শিশুদের চিকিৎসাসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জরুরি প্রয়োজনে প্রসূতিদের স্পিডবোট, স্থানীয় নৌকা বা অন্য যেকোনো উপায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

বন্যা-পরবর্তী পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। জানান, ইতোমধ্যে ৭ লাখ ২৯ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মজুত হিসেবে আরও ৩৬ লাখ ১৯ হাজার ৫৭২টি ট্যাবলেট সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত পাঠানো হবে।

সম্ভাব্য ডায়েরিয়া ও কলেরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৭৯ ব্যাগ খাবার স্যালাইন এবং প্রায় ১০ হাজার ব্যাগ নরমাল স্যালাইন প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে এসব সরঞ্জাম দ্রুত পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত বন্যাকবলিত এলাকায় কলেরার প্রাদুর্ভাব দেখা যায়নি। তবে পানি নেমে যাওয়ার পর পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে, তাই স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও জানান, সাতকানিয়ায় বন্যার পানি হাসপাতালে প্রবেশ করলে দ্রুত চিকিৎসা যন্ত্রপাতি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। পানি নেমে যাওয়ার পর হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা মাঠে কাজ করছেন। নারী, শিশু, প্রবীণ এবং সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বন্যাদুর্গত মানুষের দোরগোড়ায় আরও কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

এম জি

Link copied!