ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

শিবির নেতা জিসান ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ১৪, ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম

শিবির নেতা জিসান ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ
সংগৃহীত ছবি

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানের নিখোঁজ হওয়া এবং পরবর্তীতে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ব্যাপক হট্টগোল ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কুমিল্লা থেকে উদ্ধার হওয়া এই নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের মামলার বিবরণ সংসদে বিস্তারিত তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে এর অংশবিশেষ সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্চ) দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিরোধী দল।

রোববার ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে কার্যপ্রণালী বিধির ৩০০ বিধিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য দেওয়ার সময় এই বাদানুবাদ ও উত্তেজনার সূত্রপাত হয়।

এর আগে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপ্রণোদিত হয়ে সংসদকে অবহিত করেন যে, দুর্নীতির মামলায় পলাতক সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘোষণার পরপরই তিনি ছাত্রশিবিরের সদ্য বহিষ্কৃত সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিসানের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গটি সামনে আনেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বিধবা নারীর সঙ্গে জিসানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে জিসান ও তাঁর চাচাতো ভাই রাসেল আহমেদের সহায়তায় গর্ভপাত করানো হয়। পরবর্তীতে গত ১১ জুন জিসান নিজেই আত্মগোপনে গিয়ে নিখোঁজের নাটক সাজান এবং থানায় জিডি করান। পুলিশ তদন্ত করে লাকসাম থেকে তাঁকে উদ্ধারের পর, ভুক্তভোগী নারী কুমিল্লা দাউদকান্দি মডেল থানায় ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে মামলা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য শেষ হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের জন্য ধন্যবাদ জানালেও, জিসানের বিষয়টি সংসদে তোলায় তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। এটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন বিতর্কিত বিষয় সংসদে তোলার ঘটনা এটাই প্রথম।"

জিসান ও মামলার বাদীর বর্তমান অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডা. তাহের জানতে চান, কেন কাউকে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না এবং এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক নাটক তৈরি করা হচ্ছে কি না। তিনি অবিলম্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্চ করার দাবি জানান।

এ সময় বিরোধীদলীয় উপনেতার সমর্থনে বিরোধী দলের সব সংসদ সদস্য আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে যান। অন্যদিকে জবাব দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও নিজের আসনে দাঁড়িয়ে থাকেন। ডেপুটি স্পিকারের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও দীর্ঘক্ষণ উভয় পক্ষ দাঁড়িয়ে থাকায় সংসদে চরম হট্টগোল তৈরি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল রুলিং দেন যে, ৩০০ বিধির ওপর সাধারণত কোনো বিতর্ক বা প্রশ্নের সুযোগ থাকে না। তবে নিয়ম মেনে স্পষ্টীকরণ করা যেতে পারে। তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যে যদি সংসদীয় রীতির কোনো লঙ্ঘন হয়ে থাকে, তবে তা বিধি অনুযায়ী কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্চ) দেওয়া হবে। ডেপুটি স্পিকারের এই আশ্বাসের পর পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং সংসদের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।

এএন

Link copied!