ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

যেসব কারণে আপনার বিয়ে করা উচিত

ধর্ম ডেস্ক

ধর্ম ডেস্ক

জুন ২০, ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

যেসব কারণে আপনার বিয়ে করা উচিত
সংগৃহীত ছবি

মানবজীবনকে আল্লাহ তাআলা এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যে তা একা পূর্ণতা লাভ করতে পারে না এবং মানুষ স্বভাবতই সামাজিক জীব হিসেবে তার শান্তি অন্য মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের মধ্যেই গড়ে ওঠে।

এই সম্পর্কগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র সম্পর্ক হলো বিবাহ, যা শুধু সামাজিক চুক্তি নয়; বরং এটি একটি ইবাদত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুমহান সুন্নত।

বর্তমান যুগে অনেকেই ক্যারিয়ার বা ব্যক্তিগত স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে বিয়েকে পিছিয়ে দেন, তবে কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে বিয়ে করার ৮টি প্রধান কারণ নিচে তুলে ধরা হলো:

১. মানসিক প্রশান্তি ও স্থিতির উৎস

আল্লাহ তাআলা সুরা রূমের ২১ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করেন, তিনি তোমাদের মধ্য থেকেই সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো। এই আয়াত প্রমাণ করে যে বিবাহ মানুষের জীবনে মানসিক শান্তির এক অপরিহার্য মাধ্যম।

২. দ্বিনের অর্ধেক পূর্ণতা লাভ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যখন কোনো বান্দা বিয়ে করে, তখন সে তার দ্বিনের অর্ধেক পূর্ণ করে।” এই হাদিস থেকে বোঝা যায় যে বিবাহ মানুষের চরিত্র রক্ষায় অনন্য ভূমিকা রাখে।

৩. দৃষ্টি ও লজ্জাস্থানের হেফাজত

ইসলামে যৌন প্রবৃত্তিকে দমন নয়, বরং বৈধ উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) যুবকদের উদ্দেশে বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যার সামর্থ্য আছে, সে যেন বিয়ে করে।”

৪. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত অনুসরণ

বিবাহ শুধু মানবিক প্রয়োজন নয়, এটি নবী-রাসুলদের অন্যতম সুন্নত। রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট জানিয়েছেন, যে তার সুন্নত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে তার দলভুক্ত নয়।

৫. পরিবার ও সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি

বিয়ে শুধু দুই ব্যক্তির সম্পর্ক নয়; এটি একটি সুন্দর পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভিত্তি। সন্তানের সঠিক লালন-পালন ও সামাজিক অপরাধ হ্রাস বিবাহের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হয়।

৬. রিজিকে বরকত ও সচ্ছলতা লাভ

অনেকেই মনে করেন বিয়ে করলে আর্থিক চাপ বাড়ে; কিন্তু আল্লাহ তাআলা বলেন, “যদি তারা দরিদ্র হয়, আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহে তাদের সচ্ছল করে দেবেন।” অর্থাৎ, বিয়ের মাধ্যমে রিজিকে বরকত আসে।

৭. মানসিক ও সামাজিক ভারসাম্য

বিয়ে মানুষের জীবনে গভীর শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও স্থিতিশীলতা আনে। এটি মানুষকে আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে বের করে পরিবারমুখী করে তোলে, যার ফলে জীবনে মানসিক পরিপক্বতা আসে।

৮. ইবাদতের সুযোগ ও মনোযোগ বৃদ্ধি

বিবাহিত জীবন মানুষকে এমন একটি সুন্দর পরিবেশ দেয়, যেখানে সহজে হারাম থেকে বেঁচে আল্লাহর ইবাদতে মনোযোগ দেওয়া যায়। এখানে পরিবার পরিচালনা ও হালাল জীবিকা অর্জনও ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়।

অতএব, বিয়ে কোনো আধুনিক চিন্তার বিরোধী বিষয় নয়, বরং এটি মানবজীবনের স্বাভাবিক ও পবিত্র এক ব্যবস্থা। একজন সচেতন মুমিনের উচিত সময় ও সামর্থ্য হলে বিলম্ব না করে বিয়ের মাধ্যমে নিজের জীবনকে সুন্নতের পথে পরিচালিত করা।

এএন

Link copied!