ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

পাথরঘাটায় ৫ ঘণ্টা পর নিখোঁজ শ্রমিক জাহাঙ্গীরের মরদেহ উদ্ধার

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৪:১২ পিএম

পাথরঘাটায় ৫ ঘণ্টা পর নিখোঁজ শ্রমিক জাহাঙ্গীরের মরদেহ উদ্ধার

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় বন বিভাগের গাছের চারা রোপণের কাজে যাওয়ার পথে ট্রলারডুবির ঘটনায় জাহাঙ্গীর (৪৫) নামে এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর বলেশ্বর নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পদ্মা স্লুইসসংলগ্ন বলেশ্বর নদীর মাছের খাল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর উপজেলার পশ্চিম বাদুরতলা এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত ছাহেদ হাওলাদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন বিভাগের চারা রোপণের কাজে অংশ নিতে আটজন শ্রমিক একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে পদ্মা স্লুইস এলাকা থেকে রওনা দেন। মাঝের খাল এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদীতে প্রবল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। এতে মুহূর্তের মধ্যে ট্রলারটি উল্টে গেলে সবাই নদীতে পড়ে যান। পরে শ্রমিকরা গোপজালের খুঁটি ধরে ভেসে থাকার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে জাহাঙ্গীরকে দেখা গেলেও তীব্র স্রোত ও ঢেউয়ের মধ্যে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। পরে পাশ দিয়ে যাওয়া একটি ট্রলার অন্য শ্রমিকদের উদ্ধার করে।

দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা আট থেকে ১০টি ট্রলার নিয়ে নিখোঁজ জাহাঙ্গীরকে উদ্ধারে তল্লাশি শুরু করেন। বন বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পরও তার সন্ধান না মেলায় উদ্ধারকর্মীরা সাময়িকভাবে অভিযান স্থগিত করলেও স্থানীয়দের খোঁজাখুঁজি অব্যাহত থাকে।

অবশেষে বিকেল ৩টার দিকে নদীর পানি কমে মাঝের খাল এলাকার একটি চর জেগে উঠলে গোপজালে পেঁচানো অবস্থায় জাহাঙ্গীরের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, জাহাঙ্গীর ছিলেন শান্ত, পরিশ্রমী ও সাদাসিধে স্বভাবের মানুষ। তিনি জেলে পেশা পছন্দ করতেন না। জীবিকার তাগিদে উপকূলের বিভিন্ন স্থানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। সাঁতার না জানার কারণে দুর্ঘটনার সময় তিনি নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে। যে নদীকে তিনি সবসময় এড়িয়ে চলতে চাইতেন, শেষ পর্যন্ত সেই নদীতেই তার জীবনের ইতি ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবার-স্বজনের পাশাপাশি পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।

এম জি

Link copied!