ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ক্যাশলেস ক্যাম্পাস দাবির দেড় বছর, রুয়েটে অটোমেশন বাস্তবায়নে ধীরগতি

রুয়েট প্রতিনিধি

রুয়েট প্রতিনিধি

এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম

ক্যাশলেস ক্যাম্পাস দাবির দেড় বছর, রুয়েটে অটোমেশন বাস্তবায়নে ধীরগতি

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি থাকা সত্ত্বেও এখনো পূর্ণাঙ্গ ক্যাশলেস বা অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হয়নি। ফলে রেজিস্ট্রেশন, পরীক্ষা, ক্লিয়ারেন্স ও হল সংক্রান্ত বিভিন্ন ফি জমা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রাজশাহীর প্রচণ্ড গরম প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে ফি পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা একটি প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট উত্থাপিত ১২ দফা দাবির মধ্যে ক্যাশলেস পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি অন্যতম হলেও এখনো তার বাস্তবায়ন সীমিত পর্যায়ে রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল সূত্রে জানা যায়, পুরনো সফটওয়্যার সংস্কার ও থার্ড পার্টি চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে কাজের অগ্রগতি ধীর হয়েছে। আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সামিউল হাবিব জানান, বর্তমানে ‘হল অটোমেশন’ সফটওয়্যার নিয়ে কাজ চলছে এবং পরীক্ষামূলক ধাপ সফল হলে অনলাইন পেমেন্ট চালুর পথে এগোনো সম্ভব হবে।

অন্যদিকে, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের তত্ত্বাবধানে ক্যাশলেস ক্যাম্পাসের অংশ হিসেবে একটি পাইলট প্রকল্প চালু রয়েছে। এতে স্থাপত্য বিভাগের প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর তথ্য রূপালী ব্যাংকের ‘রুপালী ক্যাশ’ অ্যাপে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পটি সফল হলে ধাপে ধাপে প্রায় ৭০০০ শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে দুই বছরেও সীমিত অগ্রগতি হওয়ায় শিক্ষার্থীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ বলেন, প্রতি সেমিস্টারে ফি জমা দিতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট হয়। এমনকি সামান্য জরিমানা পরিশোধ করতেও একই ভোগান্তি পোহাতে হয়।

এছাড়া অ্যাপের মাধ্যমে পেমেন্ট করলেও প্রিন্টেড কপি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় কাগজভিত্তিক জটিলতা এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমলেও সম্পূর্ণ সমাধান আসেনি।

শিক্ষার্থীরা দ্রুত, কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে ভোগান্তির স্থায়ী সমাধান চান। তাদের মতে, প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে এটি সময়ের দাবি।

এম জি

Link copied!