ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার বিচার শুরু ১ জুন

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২৪, ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার বিচার শুরু ১ জুন

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এ মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের (চার্জফ্রেম) বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ১ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার বিকেলে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে দাখিল করা চার্জশিট আমলে নিয়ে এই আদেশ দেন।

এর আগে, একই দিন দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে চার্জশিট জমা দেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক চার্জশিটটি গ্রহণ করে মামলাটি চূড়ান্ত বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে বদলির নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে নিজ ঘর থেকে বের হলে প্রতিবেশী স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তাদের ঘরে ডেকে নেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য তার মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সন্দেহভাজন ওই দম্পতির ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তিনি। ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। সেখানে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং ঘরের ভেতরের একটি বড় বালতিতে তার কাটা মাথা উদ্ধার করা হয়।

জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারের পর গত ২০ মে আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, ঘটনার আগে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন।

জবানবন্দিতে সোহেল উল্লেখ করেন, রামিসা তাদের ঘরে ঢোকার পর তিনি তাকে বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এতে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়ে। ঠিক ওই সময়ে রামিসার মা বাইরে থেকে দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে সোহেল আতঙ্কিত হয়ে বঁটি বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করেন।

এরপর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মাথাটি কেটে শরীর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহটি খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। ঘটনার পুরো সময় তার স্ত্রী স্বপ্না ঘরেই উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান সোহেল। আসামি আদালতকে আরও জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তাদের পূর্বশত্রুতা ছিল না।

এএন

Link copied!