ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

‘বিড়িতে সুখটান’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন ফয়জুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

‘বিড়িতে সুখটান’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন ফয়জুল হক

‘বিড়িতে সুখটান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে’— নিজের করা এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. ফয়জুল হক।

শুক্রবার বিকেলে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এই ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

ড. ফয়জুল হক বলেন, “আমি যখন গ্রামে বক্তব্য দিই, তখন সেখানে অবস্থানরত সকল পেশার মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলার চেষ্টা করি। যেমন— একজন দাড়িওয়ালা, দাড়িছাড়া, তরিকা চর্চা করেন এমন ব্যক্তি কিংবা তাবলিগ, হেফাজত অথবা বিড়ি খাওয়া লোক বা না খাওয়া লোক— যেকোনো নাগরিকই আমার ভোটার।”

তিনি তার বক্তব্যের ব্যাখ্যায় আরও বলেন, “আমার বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল— বাংলাদেশে যারা বিড়ি বা সিগারেট খাওয়ায় অভ্যস্ত, তারা দোকানে গিয়ে বসেন এবং বিড়ি খান। সেই বিড়ি খাওয়া অবস্থায়ও আপনারা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে দাঁড়ান। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে অবস্থান করার কারণে হয়তো আপনার জীবন পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে এবং আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দিয়ে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন।”

ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, তার বক্তব্যকে কেউ হয়তো বুঝতে ভুল করেছেন। তিনি বলেন, “আমার বক্তব্যের মূল দিকটি হলো একজন এমপি গণমানুষের প্রতিনিধি। অতএব, একজন প্রার্থী সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে উদ্দেশ্য করেই বক্তব্য দেবেন।”

ফয়জুল হক প্রশ্ন রেখে বলেন, “একজন বিড়ি খাওয়া মানুষ কি দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতে পারবেন না? তিনি কি আমার ভোটার নন? সেই অবস্থান থেকেই আমি বলেছি, আল্লাহ চাইলে ওই ব্যক্তিকে ভালো করে দিতে পারেন। সবাই আমার ভোটার এবং তাদের নিয়েই আমার বক্তব্য। এটি আগেও ছিল, গতকালও ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।”

উল্লেখ্য, গত বুধবার (০৭ জানুয়ারি) রাতে রাজাপুরে একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠকে ড. ফয়জুল হক মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘বিড়িতে সুখটান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে’। তার এই বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

ইএইচ

Link copied!