ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে পরিবর্তনের অঙ্গীকার

নেতৃত্বে সততা ও যোগ্যতার প্রতীক মাহমুদ হাসান খান বাবু

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

নেতৃত্বে সততা ও যোগ্যতার প্রতীক মাহমুদ হাসান খান বাবু

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এই নির্বাচনী ডামাডোলের মধ্যেই সম্প্রতি এক বিশেষ রাজনৈতিক সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বিজিএমইএ এর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মূলত চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের (দামুড়হুদা ও জীবননগর) নির্বাচনী প্রস্তুতি এবং ওই অঞ্চলের সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসন থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে যাওয়া মাহমুদ হাসান খান বাবু এলাকার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশার কথা তারেক রহমানের কাছে তুলে ধরেন।

বৈঠকে তারেক রহমান বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনা করে মাহমুদ হাসান খান বাবুকে বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করার এবং বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের মূল বার্তাগুলো জনগণের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।

তারেক রহমান আশ্বস্ত করে বলেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লড়াইয়ে বিএনপি সবসময় যোগ্য ও ত্যাগী নেতৃত্বের পাশে থাকবে। তিনি চুয়াডাঙ্গার আপামর জনসাধারণের সুখ-দুঃখে সাথী হয়ে একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলার কাজে আত্মনিয়োগ করতে মাহমুদ হাসান খানকে উৎসাহিত করেন। 

মাহমুদ হাসান খান বাবু যেহেতু পোশাক শিল্পের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাই দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান রক্ষায় তার ভূমিকার প্রশংসা করেন তারেক রহমান।

এই সাক্ষাৎ চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। স্থানীয় বিএনপি সমর্থকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই নির্দেশনা মাহমুদ হাসান খান বাবুর হাতকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এই বৈঠকের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গার নির্বাচনী ময়দানে এক শক্তিশালী রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হলো।

চুয়াডাঙ্গা-২ (দামুড়হুদা-জীবননগর ও চুয়াডাঙ্গা সদরের একাংশ) নির্বাচনী এলাকায় বইছে উৎসবমুখর রাজনৈতিক হাওয়া। এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক, বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা এবং দেশের পোশাক রপ্তানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। দুটি উপজেলা, একটি থানা, ২০টি ইউনিয়ন এবং দুটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই বিশাল জনপদে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে মাহমুদ হাসান খান বাবুর ক্লিন ইমেজ এবং তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনটি মূলত দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার একাংশ (বেগমপুর, নেহালপুর ও তিতুদহ, গড়াইটুপি ইউনিয়ন) নিয়ে গঠিত। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে একজন যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বের অভাব দীর্ঘদিনের। এই শূন্যতা পূরণে মাহমুদ হাসান খান বাবু একজন আদর্শ প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। সীমান্তের জনপদ হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় চোরাচালান রোধ ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে তার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর শোনার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে স্থানীয় জনতা।

এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, মাহমুদ হাসান খান বাবুর সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার সততা, ভদ্রতা ও উচ্চ নৈতিকতা। রাজনীতির মাঠে যেখানে অনেক সময় কাদা ছোঁড়াছুড়ি বা পেশিশক্তির প্রদর্শন দেখা যায়, সেখানে তিনি এক ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব।

স্থানীয় প্রবীণ এক বাসিন্দা বলেন, বাবু খান শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন সজ্জন মানুষ। তার মিষ্টভাষী আচরণ এবং মানুষের বিপদে এগিয়ে আসার মানসিকতা আমাদের মুগ্ধ করে।

দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, তার দীর্ঘদিনের ত্যাগ এবং দলের প্রতি আনুগত্যের পুরস্কার হিসেবেই দল তাকে মনোনয়ন দিয়েছে। প্রতিকূল সময়েও তিনি জেলা বিএনপির হাল ধরেছিলেন এবং নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছিলেন। শুধু রাজনৈতিক নেতা হিসেবেই নয়, একজন জনহিতৈষী মানুষ হিসেবে তিনি এলাকার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় সুপরিচিত।

মাহমুদ হাসান খান বাবু কেবল রাজনীতিতেই নয়, দেশের অর্থনীতিতেও রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তিনি রাইজিং ফ্যাশনস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশের পোশাক খাত বিশ্ববাজারে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তার এই বৈশ্বিক পরিচয় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের মানুষের জন্য গর্বের বিষয়।

সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, একজন সফল শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে তিনি যদি সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন, তবে এই এলাকায় শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।

নির্বাচনী মাঠের বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাহমুদ হাসান খান বাবুর সমর্থনে এলাকায় এক অভূতপূর্ব জাগরণ তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন দামুড়হুদা ও জীবননগরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাট-বাজার ও জনপদগুলোতে তার পক্ষে গণজোয়ার পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ করে ২০টি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে তার ক্লিন ইমেজের বার্তা পৌঁছে গেছে। তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে। 

তাদের মতে, বাবু খানের মতো একজন শিক্ষিত ও মার্জিত মানুষ সংসদে গেলে এলাকার মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। তিনি কেবল বিএনপির নেতা নন, দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছেও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের ভোটাররা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বৈষম্য ঘোচাতে একজন সফল ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদের কোনো বিকল্প নেই।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের ২০টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার প্রতিটি প্রান্তে চষে বেড়াচ্ছেন তিনি। তার নির্বাচনী প্রচারণায় প্রাধান্য পাচ্ছে কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন। চুয়াডাঙ্গার ভুট্টা ও অন্যান্য কৃষি পণ্যকে কাজে লাগিয়ে নতুন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপন এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা তার অন্যতম লক্ষ্য। এছাড়া অবহেলিত গ্রামগুলোতে উন্নত চিকিৎসা সেবা ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানো। অনুন্নত রাস্তাঘাট সংস্কার এবং জীবননগর-দামুড়হুদা এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো।

যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে সুস্থ সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলা। সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং সীমান্ত হাট স্থাপনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক গতিশীলতা আনা। রাইজিং ফ্যাশনসের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করা এই মানুষটি এখন চুয়াডাঙ্গার আপামর জনসাধারণের ভাগ্য বদলে বদ্ধপরিকর। রাজনীতির মাঠে তার এই বলিষ্ঠ উপস্থিতি আসন্ন নির্বাচনে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।

সততা, যোগ্যতা আর আধুনিক চিন্তার সংমিশ্রণে মাহমুদ হাসান খান বাবু চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে পরিবর্তনের এক নতুন জোয়ার সৃষ্টি করেছেন। দল আমার ওপর আস্থা রেখেছে, ইনশাআল্লাহ আমি চুয়াডাঙ্গার মানুষের কল্যাণে নিজের সর্বোচ্চ বিলিয়ে দেব। সততা আর উন্নয়নই হবে আমার রাজনীতির মূল ভিত্তি, এমনটাই জানিয়েছেন মাহমুদ হাসান খান বাবু। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে তারা তাদের এই প্রিয় নেতাকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করবেন।

ইএইচ

Link copied!