ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
ঠিকাদারের সঙ্গে বিয়ে

পত্রিকায় নিজের বিয়ের গুঞ্জন দেখিয়ে পরিবারের সঙ্গেই হেসেছিলেন চাঁদনী

বিনোদন প্রতিবেদক

বিনোদন প্রতিবেদক

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম

পত্রিকায় নিজের বিয়ের গুঞ্জন দেখিয়ে পরিবারের সঙ্গেই হেসেছিলেন চাঁদনী

তারকাদের নিয়ে মুখরোচক গুঞ্জন বা ‘গসিপ’ নতুন কিছু নয়। তবে ক্যারিয়ারের শুরুর লগ্নেই যদি নিজের বিয়ের খবর পত্রিকায় ছাপা হয়, তবে যে কারো চমকে যাওয়ার কথা। নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী চাঁদনীর ক্ষেত্রেও ঘটেছিল ঠিক এমনটিই। তবে সাধারণ দশজনের মতো তিনি ভেঙে পড়েননি বা সংবাদকর্মীদের ওপর চটে যাননি, বরং নিজের বিয়ের ‘ভুয়া’ খবরটি পত্রিকা হাতে নিয়ে পরিবারের সবাইকে নিজেই দেখিয়েছিলেন।

সম্প্রতি এক স্মৃতিচারণায় চাঁদনী তাঁর জীবনের সেই প্রথম বড় গসিপের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন, যা ছিল একইসঙ্গে নাটকীয় ও হাস্যকর।

চাঁদনী তখন সবেমাত্র এইচএসসি পাস করেছেন। নামী কোনো কলেজে অনার্সে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিনয়ে পা রাখলেও তখনো পাননি মহাতারকার খ্যাতি। ঠিক সেই সময়েই একটি জাতীয় দৈনিকে খবর প্রকাশিত হয়—‘চাঁদনী বিয়ে করেছেন জনৈক এক ঠিকাদারকে’।

সেই সময়ের কথা স্মরণ করে চাঁদনী বলেন, গসিপ বা গুঞ্জন বিষয়টার সাথে তখনো আমার পরিচয় ছিল না। পত্রিকায় যখন নিজের বিয়ের খবর দেখলাম, আমি অবাক হওয়ার চেয়ে বেশি মজা পেয়েছিলাম। কারণ, এই বিয়ের ব্যাপারে আমি নিজেই কিছু জানতাম না!

চাঁদনীরা তখন থাকতেন একটি বড় যৌথ পরিবারে। সকালে পত্রিকা আসার পর যখন নিজের বিয়ের খবরটি চোখে পড়ে, তিনি সেটি লুকিয়ে না রেখে পরিবারের সবার কাছে নিয়ে যান। চাঁদনী নিজেই মজার ছলে বলছিলেন, আমি পত্রিকা নিয়ে পরিবারের সবাইকে দেখাচ্ছিলাম আর বলছিলাম—দেখো দেখো, আমার নাকি কোনো এক ঠিকাদারের সাথে বিয়ে হয়ে গেছে! এই নিয়ে আমাদের পুরো বাড়িতে হাসাহাসির রোল পড়ে গিয়েছিল।

নিজের বিয়ের খবর নিজেই প্রচার করার এই বিরল সাহসিকতা ও রসিকতাবোধ চাঁদনীর চারিত্রিক দৃঢ়তারই পরিচয় দেয়।

পরিবারের অন্যরা মজা পেলেও চাঁদনীর মা ছিলেন কিছুটা চিন্তিত। মেয়ের ক্যারিয়ার কেবল শুরু হচ্ছে, এমন সময় বিয়ের গুঞ্জন যদি ক্যারিয়ারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে—এই ভয়ে তিনি কিছুটা ভীত হয়ে পড়েন। মূলত মায়ের অনুপ্রেরণাতেই চাঁদনী অভিনয়ে এসেছিলেন।

শঙ্কা কাটাতে চাঁদনীর মা তখন ফোন করেন তৎকালীন জনপ্রিয় ফটোগ্রাফার মহসিনকে। পুরো বিষয়টি শুনে মহসিন ভাই যা বলেছিলেন, তা আজও চাঁদনীর মনে গেঁথে আছে। তিনি হাসিমুখে বলেছিলেন, ভাবি, চিন্তা করবেন না। বরং খুশি হোন। এখন বোঝা গেল আপনার মেয়ে বড় তারকা হচ্ছে। মনে রাখবেন, গসিপ ছাড়া কেউ সেলিব্রিটি হতে পারে না! এই কথাটি শোনার পর চাঁদনীর মায়ের ভয় কিছুটা হলেও দূর হয়েছিল।

নব্বই দশকের শিশুশিল্পী হিসেবে নাম লেখানো চাঁদনী পরবর্তীতে একক অভিনেত্রী হিসেবেও দর্শকদের নজর কাড়েন। নাচের প্রতি তাঁর বিশেষ দুর্বলতা ও দক্ষতা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছে। দীর্ঘ সময় অভিনয়ের পর্দায় সরব থাকলেও, বর্তমানে তিনি নিজেকে কিছুটা আড়ালে রেখেছেন। তবে সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে হারিয়ে যাননি; বরং বর্তমানে নাচ এবং নাচ সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েই তিনি সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত।

আজকের এই বিশেষ দিনে ভক্ত-অনুরাগীরা চাঁদনীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত করছেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নানা চড়াই-উতরাই আর গুঞ্জন সামলে তিনি নিজেকে একজন সফল শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নিজের প্রথম গসিপকে যেভাবে তিনি কৌতুক হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন, তা থেকে বর্তমান প্রজন্মের তারকাদেরও অনেক কিছু শেখার আছে। বিনোদন জগতের এই উজ্জ্বল নক্ষত্র আরও দীর্ঘকাল তাঁর নাচের ছন্দে আমাদের মোহিত করে রাখুন—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

এএন

Link copied!