ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
জাতিসংঘ

বাংলাদেশ-ভারতের পুশইন সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুন ১৯, ২০২৬, ০১:২৭ এএম

বাংলাদেশ-ভারতের পুশইন সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত পরিস্থিতি এবং পুশইন সমস্যার সমাধান দুই দেশের পারষ্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক।

বুধবার (১৭ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় অনুষ্ঠিত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক সীমান্ত এলাকায় নারী ও শিশুদের মানবিক সংকটের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শত শত নারী ও শিশু ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ক্ষুধা ও মানবেতর পরিস্থিতির মধ্যে তাদের দিন কাটছে। এ বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের অবস্থান জানতে চাওয়া হলে স্টিফেন ডুজারিক বলেন, বিষয়টি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সংলাপের মাধ্যমে সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো আলোচনার ক্ষেত্রেই সীমান্তে অবস্থানরত মানুষের মৌলিক মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি পূর্ণ সম্মান নিশ্চিত করা জরুরি।

এদিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে রোহিঙ্গা সংকট এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি ও বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও অতীতে দীর্ঘ সময় শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ কারণে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ে তাদের অবস্থান রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে কি না-এমন প্রশ্নও উত্থাপিত হয়।

জবাবে স্টিফেন ডুজারিক বলেন, সাধারণ পরিষদের সভাপতির প্রধান দায়িত্ব হলো পরিষদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। ফলে মহাসচিব ও সাধারণ পরিষদের সভাপতির মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ মূলত সাধারণ পরিষদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করেই হবে।

তবে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে জাতিসংঘের চলমান প্রচেষ্টা আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।

এম জি

Link copied!