ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
অর্থমন্ত্রী

আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ চুক্তির পথে সরকার

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ১২, ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম

আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ চুক্তির পথে সরকার

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিদ্যমান ঋণ কর্মসূচি থেকে সরে এসে নতুন একটি ঋণ কর্মসূচির বিষয়ে আলোচনা করছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নতুন এই কর্মসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থ ও জনগণের প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। এর আগে একই দিন অর্থ বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করেন আইএমএফের মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগের ডেপুটি ডিভিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বাধীন ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় নেওয়া আইএমএফের ঋণ কর্মসূচি জনগণের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করতে পারেনি। সে কারণেই বর্তমান সরকার সেই কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন একটি কাঠামো নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা করছে।

বাংলাদেশ ২০২৩ সালে ডলার সংকট মোকাবিলা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে আইএমএফের ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই কর্মসূচির ঋণের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করা হয়।

এ পর্যন্ত ওই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ পাঁচ কিস্তিতে মোট ৩৬৪ কোটি মার্কিন ডলার পেয়েছে। তবে ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে আলোচনা চললেও তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। এরই মধ্যে নতুন ঋণ কর্মসূচির বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা। তাই আগের কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরিবর্তে নতুন শর্ত ও কাঠামোর ভিত্তিতে আইএমএফের সঙ্গে এগোতে চায় সরকার।

তিনি আরও বলেন, আগের ঋণ কর্মসূচির ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় না হলেও তা নিয়ে সরকারের কোনো উদ্বেগ নেই। কারণ বর্তমান সরকার নতুন একটি ঋণ কর্মসূচির মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথ তৈরি করতে চায়।

অর্থমন্ত্রী জানান, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পর্যটন খাতকে আরও গতিশীল করতে সরকারের পক্ষ থেকে ভিসা নীতিতেও পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে ঢাকা সফর শেষে আইএমএফ প্রতিনিধি দল তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন ওয়াশিংটনে সংস্থাটির সদর দপ্তরে জমা দেবে। সেই মূল্যায়ন ইতিবাচক হলে আগামী অক্টোবর মাসে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা শেষে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করতে আইএমএফের আরেকটি মিশন ঢাকায় আসতে পারে।

এএন

Link copied!