ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

১০ মার্চ ডিরেক্টর গিল্ডের নির্বাচন; ভোট চাইতে পক্ষ-বিপক্ষের আধিপত্য!

মো. মাসুম বিল্লাহ

মার্চ ৪, ২০২৩, ০৬:৪৮ পিএম

১০ মার্চ ডিরেক্টর গিল্ডের নির্বাচন; ভোট চাইতে পক্ষ-বিপক্ষের আধিপত্য!

টিভি মিডিয়ার পরিচালকদের সব থেকে বড় সংগঠন ‍‍`ডিরেক্টর গিল্ড‍‍`। এই সংগঠনের নির্বাচন হবে আগামী ১০ মার্চ (শুক্রবার)। এর আগে ৮ মার্চ এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা শোনা গেছে। নির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যে শিল্পকলাসহ মগবাজার মুক্তিযোদ্ধার সামনে জটলাও দেখা গেছে পরিচালকদের। জোট বেঁধেছে দুই দল। সূত্রের খবরে, সেখানে অনেককে পক্ষ-বিপক্ষের আধিপত্য চোখে পড়েছে। শুধু তাই নয় এবারের নির্বাচন কেন্দ্র করে একে উপরকে দোষারোপ করেও ভোট চাইতে দেখা গেছে। 

এর আগেও নির্বাচন নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনা, মান-অভিমান নতুন কোনো বিষয় নয়। স্বাভাবিক কারণে তাদের নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক, সমালোচনা যেন একটু বেশিই! এসব কারণে নির্বাচন থেকে সরে গেছেন অনেকেই। ১০ মার্চ এই সংগঠনের নির্বাচন।

অভিযোগ উঠেছে- সংগঠনটির নির্বাচন যেভাবে হয়, এভাবে ভালো কোনো সংগঠক নির্বাচন করতে চান না। এ কারণেই এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা থাকলেও শিহাব শাহীন, সকাল আহমেদ, ইমরাউল রাফাত, হৃদি হক, মাবরুর রশিদ বান্নাহ, পিকলু চৌধুরী, তুহিন হোসেন, ইমেল হক, ফেরারি অমিত, নিয়াজ চন্দ্রদ্বীপ, গোলাম মুক্তাদিরসহ অনেকেই শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন।

এর আগেও গণমাধ্যমে প্রকাশিত চাউর হয় মেয়াদ শেষ হলেও একটি নির্দিষ্ট সময় পর ডিরেক্টরস গিল্ডের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আগের নির্বাচনে তেমনটাই দেখা গেছে। কিন্তু এবার সেটা না করে তড়িঘড়ি করেই নির্বাচন হচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় আলোচনার মুখ্য বিষয় হয়ে ওঠে নির্বাচন। সেখানে সংগঠনের কর্মকা- নিয়ে প্রশ্ন তোলেন একাধিক নির্মাতা। কেউ কেউ বলেন, গত দুই বছর বর্তমান কমিটি কোনো কাজ করেনি। যে কারণে দায়িত্ব হস্তান্তর করছেন নির্বাচিতরা। তবে বিষয়টি মানতে নারাজ কমিটির নেতারা। তাদের বক্তব্য, করোনার মধ্যে কাজ শুরু করতেই বিলম্ব হয়ে পড়ে।

পুরো বিষয়টি নিয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয় বর্তমান কমিটির সভাপতি সালাউদ্দিন লাভলুর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি তো এখনো দায়িত্বে আছি। তাই এসব নিয়ে কথা বলা ঠিক হবে না। নির্বাচনের পর নতুন কমিটির শপথের মধ্য দিয়ে আমাদের দায়িত্ব শেষ হবে। তবে এটুকু বলব, কাজ করতে গেলে পক্ষ-বিপক্ষ বিতর্ক হবেই। ১০ জন থাকলে কেউ কেউ অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলবেনই। একটা রানিং কমিটির যে স্বপ্ন আর পরিকল্পনা থাকে- সেই মোতাবেক অনেক সময় কাজ করা হয়ে ওঠে, কখনো হয় না। সাধারণ কমিটিতে সেসব নিয়েই কথা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি, কিছুটা পেরেছি, কিছুটা পারিনি। কেউ কেউ তড়িঘড়ি বললেও নিয়ম মেনেই সব করছি।’

যদিও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো একাধিক পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্বাচন নিয়ে আশার জায়গাটা আর নেই। তাদের কথা হলো, মান-অভিমান ও স্বার্থের দ্বন্দ্বকে কেউ কেউ সামনে আনছেন- যা শিল্পীদের এই নির্বাচনে কাম্য নয়। পরিচালক তুহিন হোসেন বলেন, ‘যারা সংগঠনে কাজ করতে চান, তারাই এবার নির্বাচন থেকে দূরে। এটা প্রমাণ করে, নির্বাচন থেকে তরুণদের আস্থা উঠে যাচ্ছে। সংগঠনের অনেকেই চাচ্ছিলেন, গাজী রাকায়েত ভাই, মাসুদ হাসান, অনিমেষ আইচদের মতো সাংগঠনিক ব্যক্তিদের নির্বাচনে নিয়ে আসতে। কিন্তু সুস্থ পরিবেশ আর মানসম্মানের ভয়ে যোগ্য অনেকেই সংগঠন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। সাংগঠনিক মানুষরা না থাকায় দিন দিন সংগঠনটি ভেঙে পড়ছে।’

সাধারণ সভায় উত্থাপন করা হয়েছিল সিলেকশন প্রক্রিয়া। কিন্তু বেশিরভাগ সদস্যই নির্বাচন নিয়ে উৎসাহ দেখিয়েছেন। যে কারণে বর্তমান কমিটিকে সিলেকশন প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে আসতে হয়েছে। নির্বাচনে সমিতির খরচও বাড়বে। সালাউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘সিলেকশন হলেও খারাপ কিছু হতো না। সংগঠন প্রথম যখন শুরু হয়, তখন সিলেকশন প্রক্রিয়ায় কাজ শুরু হয়েছিল। সবার মত নিয়ে এটা করা যেত। কিন্তু সদস্যরা নির্বাচনে আগ্রহী, এখানে আমাদের কিছু বলার থাকে না।’

পরপর দুইবার সভাপতি জয়ী হয়েছেন সালাহউদ্দিন লাভলু। নিয়মমতো তিনি এবার নির্বাচন করতে পারছেন না। সংগঠনের সভাপতি পদে এবার লড়বেন পরপর দুইবার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী এসএ হক অলিক। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অনন্ত হীরা। নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে দ্বিতীয়বারের মতো লড়ছেন কামরুজ্জামান সাগর। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন ফরিদুল হাসানের সঙ্গে। এ ছাড়া সহসভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ বাকি ১০ পদে লড়বেন ৩২ জন পরিচালক। জয়ী হবেন ১৯ জন।

অনেক পরিচালক সরে দাঁড়ালেও নির্বাচন জমজমাট হবে বলে আশা করছেন এসএ হক অলিক। তিনি বলেন, ‘বিগত দিনে যারা সংগঠনকে অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে নিয়েছেন, গোছানোর চেষ্টা করেছেন, নানাভাবে ভূমিকা রেখেছেন- তাদের দরকার ছিল। আবার নতুনরা আগামী দিনের কাণ্ডারি। নতুন-পুরনো মিলেই আমরা সংগঠনের জন্য কাজ করে যাব। আমরা আশা করছি, মান-অভিমান ভুলে সবাইকে নিয়ে নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করতে সবাই মিলে সংগঠনটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
 

Link copied!