ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
বাপ্পারাজ

যারা পাঁচটা সিনেমা করেনি, তারাও দেখি বডিগার্ড নিয়ে ঘোরে

বিনোদন ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মে ২৫, ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম

যারা পাঁচটা সিনেমা করেনি, তারাও দেখি বডিগার্ড নিয়ে ঘোরে
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিল্পীদের দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ থাকার তাগিদ দিয়েছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। একই সঙ্গে এফডিসিপাড়ায় ইদানীং ব্যক্তিগত দেহরক্ষী (বডিগার্ড) নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর যে নতুন প্রবণতা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে বেশ কড়া ও খোলামেলা সমালোচনা করেছেন তিনি।

চলচ্চিত্র তারকাদের নিরাপত্তা ও বডিগার্ড রাখা নিয়ে চারদিকে চলমান আলোচনার মধ্যে সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেন বাপ্পারাজ।

তিনি, অতীতে শিল্পীদের নিরাপত্তার জন্য এমন কোনো বিশেষ ব্যবস্থার প্রয়োজন কখনো পড়েনি। তবে বিগত কিছুদিন ধরে এই ধরনের আয়োজন দেখা যাচ্ছে। মূলত নিজেদের প্রভাব ও শক্তিমত্তা প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যেই হয়তো অনেকে নিরাপত্তা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে চলেন। আসলে আমাদের মতো শিল্পীদের কোনো বডিগার্ডের প্রয়োজনই নেই।

নিজের উদাহরণ টেনে এই অভিনেতা, আমরা তো কোনো দিন ব্যক্তিগত দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরা করি না। অথচ যারা এখনো ক্যারিয়ারে পাঁচটি সিনেমাও করতে পারেনি, যাদের কোনো দর্শকপ্রিয়তা বা ক্রেজ নেই, তারা দেখি দুই-তিনজন বডিগার্ড নিয়ে ঘুরে বেড়ায়! আমাদের বডিগার্ডের কোনো দরকার হয় না, আমরা এগুলো ছাড়াই চলি।

উল্লেখ্য, শিল্পী সমিতির এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাপ্পারাজ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাদা ছোড়াছুড়ি না করে একটি সুস্থ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।

সহকর্মীদের উদ্দেশে বাপ্পারাজ, সব শিল্পীই মূলত এক। আমাদের নিজেদের মধ্যে কোনো দূরত্ব বা বিভেদ নেই। আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য এবং সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকতে চাই। কিছুদিন আগেও আমরা সবাই একসঙ্গে বসেছিলাম।

নির্বাচনী প্রতিযোগী ও প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়ে তিনি, আমার প্যানেল ও প্রতিপক্ষ প্যানেলে যাঁরা আছেন, সবাইকে স্পষ্ট বলেছি যে আমরা কোনো ধরনের দ্বন্দ্বে জড়াব না। কেউ কারও বিরুদ্ধে বিষোদগার করব না বা কাউকে আঘাত দিয়ে কোনো অশালীন মন্তব্য করব না। আমরা চাই অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ শেষ হোক।

বিগত নির্বাচনগুলোর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা টেনে এনে শিল্পীদের মাঝে আর নতুন কোনো দেয়াল বা বিভাজন তৈরি করতে চান না এই চিত্রনায়ক।

তৌহিদ হোসেনের মতো বাপ্পারাজও, অতীতে কী ঘটে গেছে তা নিয়ে এখন আর ঘাটতে চাই না। যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। শিল্পীদের যে একটা নিজস্ব সৌন্দর্য ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ থাকে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা যেন তা আবার ফিরিয়ে আনতে পারি। ভোটাররা সুযোগ দিলে আমি সেই কাজটিই করতে চাই।

নির্বাচন এলে বড় বড় ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পরে তার বাস্তবায়ন না হওয়ার যে অভিযোগ রয়েছে, তা নিয়েও কথা বলেন বাপ্পারাজ।

শিল্পীদের কল্যাণে তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা কী- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি, আমি তো এখনো শিল্পী সমিতির ওই চেয়ারে গিয়ে বসিনি। আগে চেয়ারে বসি, তারপর ভেতরের সমস্যাগুলো খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। দায়িত্ব পাওয়ার আগেই 'এটা করব, সেটা করব' বলে ফাঁকা বুলি আওড়াতে চাই না। অতীতে অনেকেই বড় বড় কথা বলে পরে কিছুই করেননি। আমরা এই ধরনের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে চাই।

এএন

Link copied!