ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
নির্বাচনের নামে প্রতারণার অভিযোগ

আমি একা নির্বাচন করলেও পাস করতাম : তামিম 

স্পোর্টস ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

অক্টোবর ৮, ২০২৫, ০৩:৪৬ পিএম

আমি একা নির্বাচন করলেও পাস করতাম : তামিম 

এবারের বিসিবি নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়াইয়ের কথা ছিল তামিম ইকবালের। তবে শেষ পর্যন্ত সাবেক এই অধিনায়ক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। তার সঙ্গে সরে দাঁড়ান ঢাকার ক্লাব সংগঠকদের বড় একটি অংশও। আলোচনা-সমালোচনার মাঝেই গত সোমবার বিসিবি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। 

নির্বাচনে ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের অধিকাংশ কাউন্সিলর ভোট বর্জন করেছিলেন। নির্বাচনের পর বুধবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে করেন তারা। যেখানে উপস্থিত ছিলেন তামিম ইকবালও। তিনি জানান, একা নির্বাচন করলেও পাস করতেন। তবে নির্বাচনের নামে সিলেকশন চাননি। তাই সরে দাঁড়িয়েছেন।

তামিম বলেন, ‘আমি এটা গ্যারান্টি দিয়ে বললাম, আমি স্বতন্ত্র হিসেবেও যদি দাঁড়াতাম আমার পক্ষে কোনো টিম আছে, আমার বিপক্ষে কোনো টিম আছে, তারপরও আমি সহজে পাস করতাম। এটা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ ছিল না। আপনি কি মনে করেন ১৫ ক্লাব থাকুক আর না থাকুক আমার জন্য কেউ ভোট করত না? আমার জন্য (নির্বাচনের) বাস ধরা না ধরা কোনো অপশন ছিল না। আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল একটি ফেয়ার ইলেকশন হওয়া।’

ক্লাব সংগঠকদের কেউ যেন ভবিষ্যতে নিজেদের অবস্থান বদলে না ফেলেন, সেই আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কিছু অলিখিত রুলস থাকে, আমি সেগুলো ভাঙতে চাই না। সমঝোতার সঙ্গে আমরা একমত ছিলাম না বলেই তো আমরা বের হয়ে এসেছি। উনারা যেটা সঠিক মনে করেছেন, সেটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটা নিয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ নেই। কিন্তু আজকে আপনারা যে স্টেটমেন্ট দিচ্ছেন, এই স্টেটমেন্টটাই রাখবেন। ভবিষ্যতে যদি কোনো কিছু হয়, স্টেটমেন্ট বদলে ফেলে আমাদের সঙ্গে এসে বসে যাবেন না।’

এটিকে নির্বাচন বলতেও নারাজ তামিম, ‘আমি মনে করি না এটা কোনো ইলেকশন ছিল। নির্বাচনে সবচেয়ে হাস্যকর যে বিষয়টা লেগেছে সেটা হলো ক্যাটাগরি ২–এ ৪২ ভোট পড়েছে, যার মধ্যে ৩৪টি ই-ভোট হয়েছে, যারা ই-ভোট দিয়েছে তাদেরকেও সেন্টারে দেখেছি। তাহলে কথা হলো তারা কেন ই-ভোট দিলো, ই-ভোট দেয়ার রুলস হলো যারা স্বশরীরে আসতে পারবে না তাদের জন্য, তাহলে এমন ভোটের মোটিভটা কী? আপনি ই-ভোটিং করছেন আবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সেন্টারেই থাকছেন তাহলে ই-ভোট করার দরকার কী ছিলো?’

জেএইচআর

Link copied!