ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

কক্সবাজারে বন্যায় দুই শিশুর মৃত্যু, পানিবন্দি ৩ লাখ মানুষ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ১০, ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম

কক্সবাজারে বন্যায় দুই শিশুর মৃত্যু, পানিবন্দি ৩ লাখ মানুষ

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া, নবগঠিত মাতামুহুরী ও পেকুয়া উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় প্রায় তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এরই মধ্যে বন্যার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের মাইজ কাকারা এলাকায় পানিতে ডুবে মারা যায় স্থানীয় সোলতান আহমদের দুই বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ওয়াকিম।

একই দিন সকালে বন্যার স্রোতে ভেসে গিয়ে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলামের তিন বছর বয়সী ছেলে পুষ্পের মৃত্যু হয়।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মাতামুহুরী উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার জানান, নিহত দুই শিশুর পরিবারকে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জনপ্রতিনিধিদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে জমে থাকা পানি দ্রুত নামানোর জন্য উপকূলীয় ইউনিয়নগুলোর স্লুইস গেট খুলে দেওয়া হয়েছে।

মাতামুহুরী ও সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় চকরিয়া উপজেলার বরইতলী, বমুবিলছড়ি, কাকারা, লক্ষ্যারচর, চিরিঙ্গা ও হারবাং ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

এ ছাড়া নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা, ঢেমুশিয়া, কোনাখালী, বিএমচর ও সাহারবিল ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলেও বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে।

অন্যদিকে পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া, মগনামা, বারবাকিয়া, মেহেরনামা এবং পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পানি প্রবেশ করেছে। এতে সড়ক, কৃষিজমি ও চিংড়ির ঘের তলিয়ে গিয়ে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়েছে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম জানান, বাঁকখালী নদীর পানি ৫ দশমিক ৮৮ মিটার এবং মাতামুহুরী নদীর পানি ৬ দশমিক ৫৪ মিটারে পৌঁছেছে, যা উভয় ক্ষেত্রেই বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, জেলার ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম চালু রয়েছে।

তিনি জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ মানুষকে কন্ট্রোল রুমের ০১৮৭২৬১৫১৩২ নম্বরে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করার আহ্বান জানান।

এদিকে কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন, গত পাঁচ দিনে জেলায় প্রায় ৭০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এম জি

Link copied!